মাগুরানিউজ.কম:
তবে কি সেরা ফর্মটা ফিরেই পেলেন সাকিব আল হাসান? জ্যামাইকা তালাওয়াহসের হয়ে পরপর দুই ম্যাচে তিনি পারফর্মটা করলেন, তাতে কিন্তু প্রশ্নটার ইতিবাচক উত্তরই মিলছে। আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে দলকে জেতানোর পর এবার ব্যাটে-বলে সমান উজ্জল বাংলাদেশের এক নম্বর অলরাউন্ডার।
আগের ম্যাচে কিংস্টনে ৫৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান সাকিব। একই মাঠে আরো একবার অপরাজিত তিনি। এবার আগে ব্যাটিং করা জ্যামাইকার হয়ে সাকিব করেন ৩৪ রান। ১৭ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও একটি চয় মারেন সাকিব।
তার এই ইনিংসে কল্যাণেই সেন্ট কিটসকে ১৮৪ রানের বড় লক্ষ্য বেধে দেয় সাকিবের দল। তার দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন কুমার সাঙ্গাকারা। ৪৭ বলে সাত চার ও দুই ছয়ে এ রান করেন সাবেক লঙ্কান অধিনায়ক।
জবাব দিতে নেমে মাত্র ৭৫ রানে অলআউট হয়ে যায় সেন্ট কিটস। বল হাতে দুই রানে মাত্র দুই রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন সাকিব! তার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ফাফ ডু প্লেসির দলের কেউ। ব্যাটে- বলে সাকিবের অসাধারণ এক দিনে ১০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতে যায় জ্যামাইকা।
এর আগে আইপিএলে তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি সাকিব। ব্যাট হাতে দুই একটা ম্যাচে ভালো কিছু করলেও ব্যর্থ ছিলেন বল হাতে। সাকিব যেনো হয়ে গিয়েছিলেন নিজের ছায়া।
তবে আইপিএল শেষ করে ঢাকা লিগে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সাকিব। আবাহনীর হয়ে বেশ কিছু ভালো ইনিংসের পাশাপাশি অনেকগুলো উইকেটও পান তিনি। ফর্মের ইঙ্গিতটা পূর্ণতা পাচ্ছে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে। জ্যামাইকার হয়ে এখন পর্যন্ত দারুণ উজ্জ্বল তিনি।


