মাগুরানিউজ.কমঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন একবিংশ শতকের ফুটবল বিশ্বের যুবরাজ লিওনেল আন্দ্রে লিও মেসি। যার অর্থ দাড়াঁয়, মেসি ম্যাজিক আর দেখা যাবে না নীল সাদা জার্সিতে। তাঁর ফুটবল কারিগরির জন্য চোখ রাখতে হবে ক্লাব ফুটবলে। এমন অনেকেই আছেন যারা বার্সা ভক্ত নন অথচ মেসিতে মুগ্ধ।
‘চলো এগিয়ে চলো আর্জেন্টিনা’ (Vamos Vamos Argentina) এই সুরে মেসি ভক্তরা আর কোনও উন্মাদনা খুঁজে পাবেন কিনা, তা তর্ক সাপেক্ষ। তবে সোমবারের ভোরে লাতিন বিশ্বের সেরা ফুটবল মঞ্চ কোপায় মেসির পেনাল্টি মিসের দৃশ্য কাঁদিয়েছে অনেককেই। ‘শূন্য-শূন্য’ ফল যে শেষে শূন্য হাতেই ফেরাবে মেসিকে তা কেউ কল্পনা করতে পারেননি। পেনাল্টি মিস করে নিজের জার্সি দিয়ে মুখ ঢাকতে চাইছিলেন ফুটবলের যুবরাজ। বাতিস্তুতা, মারাদোনা- যে সাদা নীলে ঢেকে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে আর সেই জার্সিতেও মুখ ঢাকতে পারছিলেন মেসি।
এবার কেউ আর এই জার্সিটা গায়ে চাপাবে?
সারা বিশ্বে ঘুরে দেখার সুযোগটা নেই, তাই মাগুরাকেই বেছে নেওয়া। সোজা জার্সি বিক্রির দোকান, প্রশ্ন মেসির বিদায়, আর কেউ কিনবে আর্জেন্টিনার জার্সি? “সোজা উত্তর, একজন চলে গেলে দেশ শেষ হয় না। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কদর ছিল সবথেকে বেশি।
ব্রাজিল ছিল একে। জার্মানিও ভালোই বিক্রি হয়েছে। জার্সি তে তো আর মেসি, রোনাল্ডো লেখা থাকে না! আর্জেন্টিনার জার্সি বিক্রি হবেই”, বলছেন মার্কেটের আরেক বিক্রেতা।
বিশ্বকাপের ফুটবলে দেশের আবেগ, আর ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে তারকার আবেগ, এই তো হয়ে আসছে, আদিকাল থেকে। তবে একেবারে কট্টরপন্থী সমর্থক যে নেই, তা নয়! বরাবর বার্সা ফ্যানদের কাছে মেসির আগেও ছিল রোনাল্ডিনিহো। জার্সিতেও আছে সেই প্রভাব। “তারকা দিয়ে জার্সি কেনা বেচা খুব কঠিন, বরং ক্লাবই জার্সির মার্কেট ধরে রেখেছে, জানালেন স্থানীয় খেলা পাগল তরুনেরা।
ইউরো তো একমাসের ব্যাপার, শেষ হয়ে গেলে কেউ আর জানতেও চাইবে না, কিন্ত ক্লাব ফুটবলের জার্সির বাজার আছে, ছিল থাকবে”, মত জার্সি বিক্রেতা অপর এক দোকানীর।


