মাগুরানিউজ.কমঃ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মানুষখেকো হিসেবে প্রমাণ পাওয়ার পর তিন সিংহের যাবজ্জীবন হয়েছে। এগুলোকে তাদের বাকি জীবন কাটাতে হবে খাঁচায়।
ভারতের গুজরাট রাজ্যের গির বন থেকে মানুষখেকো সন্দেহে ১৮টি সিংহ আটক করা হয়। গির বনে সিংহের আক্রমণে তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার পর মানুষখেকো সিংহ খোঁজা শুরু হয়।
আটকের পর পায়ের ছাপ ও বিষ্ঠা পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক একটি পুরুষ সিংহ ও দুটি বাচ্চা মাদি সিংহের বিষ্ঠায় মানবদেহের নমুনা পাওয়া গেছে। এ থেকে প্রমাণিত হয়, তারা মানুষ খেয়েছে।
পুরুষ সিংহটিকে আর কখনো ছাড়া হবে না। এটিকে আমৃত্যু চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি থাকতে হবে। বাচ্চা মাদি সিংহ দুটিকে আলাদা একটি স্থানে রাখা হয়েছে।
গুজরাটের প্রধান বনসংরক্ষণ কর্মকর্তা এপি সিং জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, মানুষ ওপর আক্রমণ করে পুরুষ সিংহ এবং মাদি সিংহ শিকারের উচ্ছিষ্ট অংশ খেয়ে থাকে।
এশীয় লায়ন অর্থাৎ এশিয়ার সিংহ আছে শুধু গির বনে। সম্প্রতি এ বনে ছয়জন মানুষের ওপর হামলা হয়েছে, যার মধ্যে তিনজনকে মেরে খেয়ে ফেলেছে। এরপর মানুষখেকো সিংহের সন্ধান করা হয়। আটক করা হয় ১৮ সিংহ। ১৩ জুন থেকে শুরু হয় এদের পায়ের ছাপ ও বিষ্ঠার পরীক্ষা।
এর আগে ভারতে একটি মানুষখেকো বাঘের আটকাদেশ নিয়ে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুর এ মামলার রায় দেন। মানুষখেকো প্রমাণিত হওয়ায় বাঘটিকে আমৃত্যু খাঁচায় বন্দি করে রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

