আজ শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশা বাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম শ্রীপুরের সন্তান সাকিন
- শ্রীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালি ও লিফলেট বিতরণ
- শ্রীপুরে দু-দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩, দোকানঘর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
- শ্রীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরি
- শ্রীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- শ্রীপুরে ধর্ষণ মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১
- শ্রীপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন
মাগুরানিউজ.কম:
ক্লাসে ৭০ শতাংশ উপস্থিতির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন আগের মতোই নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
চার মাস আগে জারি করা পরিপত্রটি বাতিল করে সোমবার নতুন এ আদেশ জারি করেছে মন্ত্রণালয়।
গত ১ মার্চ শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলেও ক্লাসে ৭০ শতাংশ উপস্থিতি থাকলে শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
সোমবার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার স্বাক্ষরিত নতুন আদেশে বলা হয়েছে, আগের সেই পরিপত্র জারির পর শিক্ষক-অভিভাবক, শিক্ষার্থী-শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের মধ্যে ‘বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায়’ তা বাতিল করা করা হলো। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় নির্বাচনী পরীক্ষায় পাস না করলে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য পাঠানো মোটেই কাম্য নয়।
আদেশে বলা হয়েছে, ‘যোগ্যতাবিহীন’ শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষায় পাঠানো হলে নিয়মিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপর এর ‘বিরূপ প্রভাব’ পড়বে। এজন্যই পাবলিক পরীক্ষার আগে নির্বাচনী পরীক্ষার আয়োজনের ধারাটি প্রচলিত হয়েছে। শুধুমাত্র ৭০ শতাংশ ক্লাসে হাজিরার ভিত্তিতে নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে লেখাপড়ায় মনোযোগ নষ্ট হবে এবং পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার গুরুত্ব হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। এতে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
তবে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কারণে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় বসতে না পারলে তার আগের ‘অ্যাকাডেমিক রেকর্ড’ ও ক্লাস কার্যক্রমের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান চাইলে তাকে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দিতে পারেন বলে আদেশে উল্লেখ রয়েছে।


