মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঘুল্লিয়া গ্রামে রবিবার রাতে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। আহতদের ২৫০ শয্যা মাগুরা সদর হাসপতালে ও মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মাগুরা সদর হাসপতালে চিকিৎসাধীন আহতরা জানান- ঘুল্লিয়া গ্রামে বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজান শিকদার ও সাকিবুল ইসলাম পিকুলের সমর্থকদের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জের ধরে রবিবার সকালে কথা কাটাকাটি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। রাত ২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক সমর্থক আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে ২৮ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্যান্যদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দবির হোসেন নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকালিন সময়ে বাড়ি-ঘরে ভাংচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মহম্মদপুর ও মাগুরা পুলিশ যৌথভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে আওয়াল, আব্দুল্লাহ, রফিকুল, সিরাজুল, ও তোকাদ্দেস কে আটক করে মাগুরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মহম্মদপুর থানার ওসি মো: তারীকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

