মাগুরা জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ একটি জনপদ শালিখা। সুলতান শেরশাহে্র বিশ্বস্ত লোকজন শেরশাহ সড়ক তৈরি করার সময় ঐ অঞ্চলের শালি ধানের চিঁড়া খেয়ে তৃপ্ত হন এবং
শালি ধানের সার্বজনীনতা প্রকাশের লক্ষ্যে এলাকার নাম রাখেন শালিখা। অনেকে বলেন এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে শালিক পাখি দেখা যেত। এই শালিকে ধান খেয়ে যেত সুবাদে নাম হয়েছে শালিখা।
পল্লিকবি জসিম উদ্দিনের আমার বাড়ি ছড়াটি সকলেই পড়েছি। প্রিয় ছড়ার তালিকায় এ ছড়াটির অবস্থান ছিল সকলের নিকট। ছড়ার দুইটি লাইন ছিল ‘শালি ধানের চিড়া দেব, বিন্নি ধানের খই’।
উল্লেখ্য পাঠান সুলতান শেরশাহ্ যোগাযোগের ক্ষেত্রে পাঞ্জাব থেকে সোনারগাঁও পর্যন্ত যে সড়কটি নির্মাণ করেন যা পরবর্তীতে ঐতিহাসিক শেরশাহ্ সড়ক নামে খ্যাত। এই সড়কটি শালিখা উপজেলার মধ্য দিয়ে গেছে।
আয়তন ২২৮.৮২ বর্গ কিলোমিটার, মোট জমি ২২৮৬৪ হেক্টর, আবাদি জমি ১৭৭৬০ হেক্টর, অনাবাদি জমি ৫১০৪ হেক্টর, মোট লোক সংখ্যা ১৬৩৬৫৮ জন, পুরুষ ৮১৫৩৬ ও মহিলা ৮২১২২ জন, পাকা রাস্তা ১০৫.৩৪ কিলোমিটার, আধা পাকা রাস্তা ১৮.৭৬ কিলোমিটার, কাঁচা রাস্তা ২৬৭.৮৮ কিলোমিটার, ব্রিজ-কালভার্ট ৬১১টি, মসজিদ ৩৭৫টি, মন্দির ১৩৭টি, নদী ০৩টি (বেগবতি, চিত্রা, ফটকি), ইউনিয়ন ০৭টি, গ্রাম ১১৮ টি, উপজেলা ভূমি অফিস ০১টি, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ০৬ টি, আশ্রয়ণ প্রকল্প ০১টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- কলেজ-৬ টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩২টি, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০১টি, মাদরাসা-১৭টি (ফাজিল-১টি, আলিম-২টি, দাখিল-১৪টি), প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারী ৫০টি, বেসরকারী রেজিস্টার ৪৯ টি, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ০৭ টি, জিকিউ প্লাস্টিক মিল ০১টি, এ.আর জুট মিল ০১টি, প্লাউড মিল ০১টি। প্রধান ফসল ধান, পাট, সরিষা, মসুরি-খেসারি, ছোলা ইত্যাদি।

