মাগুরানিউজ.কমঃ
মুমিনুল হাসতেও জানেন! প্রথম লাইনটি পড়ার পর অনেকেই বলবেন, হাসতে জানে না আবার কে? কিন্তু আসলেও অনেকেই হাসতে জানেন না। মাথায় যাদের অনেক বোঝা তারা হাসতে জানেন না! কিন্তু আমাদের মুমিনুল হকের বোঝা কোথায়?
বারবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশকে টেনে তোলার অস্বাভাবিক দায়িত্বটা ছোট্ট মুমিনুলের কাঁধেই। এ কারণেই হয়তো হাসি নেই মুমিনুলের! এটাই মুমিনুলের না হাসার রহস্য!
ক্যারিয়ার শুরুর পর ৯ টেস্টে ৪ নাম্বারে ব্যাটিং করে আসছিলেন তিনি। জিম্বাবুয়ের থেকে চলতি সিরিজেই নতুন পজিশন ৩ নাম্বারে ব্যাটিং করছেন তিনি। নতুন পজিশনে দুটি অর্ধশতক থাকলেও এবারই প্রথম শতকের দেখা পেলেন।
চট্টগ্রামে হাঁকালেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক। ১২টি টেস্টে এটি তার চতুর্থ শতক। সঙ্গে অর্ধশতক ৭টি। সিকান্দার রাজার বলে পয়েন্ট ও শর্ট পয়েন্টের মাঝখান দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শতক তুলে নেন।
এটি চট্টগ্রামের মাটিতে তার ব্যাক টু ব্যাক শতক। হাসতে মানা মুমিনুল শতক হাঁকিয়ে হেলমট খুলে ব্যাট উঠিয়ে এবার হাসলেন। তার হাসি ছুঁয়ে গেছে গোটা বাংলায়। যারা মুমিনুলকে কাছ থেকে দেখেছেন তারাও মুমিনুলের এই হাসি দেখে বিমোহিত হয়েছেন।
এটি তার ক্যারিয়ারের ২৩ তম ইনিংস। এই টেস্টের আগে খুলনায় ২১ ইনিংসে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে যা রেকর্ড। এর আগে কেউ এত কম ইনিংসে ১ হাজার রান করেননি।
এতো সব রেকর্ডের মাঝে আরেকটি নতুন রেকর্ডও গড়েছেন মুমিনুল। টেস্ট ক্রিকেটে নূন্যতম ২০ ইনিংস বিবেচনায় ব্যাটিংয়ে সর্বাধিক গড় রান কিংবদন্তি স্যার ডোনাল্ড ব্যাডম্যানের। এই তালিকায় পরের স্থানটিতেই রয়েছেন মুমিনুল হক।
এই রেকর্ড গড়তে মুমিনুল হক ছাড়িয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রাহাম পোলক ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের জর্জ হার্ডলিকে।
১২ টেস্টে ২৩ ইনিংসে ১১৯৮ রানের মালিক মুমিনুল। ৬৩.০৫ গড়ে এ রান করেছেন কক্সবাজারের এই তারকা। সর্বোচ্চ ১৮১ রান করেছেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।


