মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরাতে থোকায় থোকায় দুলছে লিচু, জামরুল, সবেদা, আম, কাঁঠাল, আতা, বেল, লেবু, বাতাবি লেবু, আমলকী, গাব, খেজুরসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল। এসব ফলের ভালো ফলনে খুশি সবাই। ইতিমধ্যে হরেক রকম ফলের মিষ্টি-মধুর গন্ধে ভরে উঠেছে এ-বাড়ি, ও-বাড়িসহ বিভিন্ন হাটবাজার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর মাগুরাতে লিচু, জামরুল, সবেদা, আম, কাঁঠাল, আতা, বেল, লেবু, বাতাবি লেবু, আমলকী, গাব, খেজুরসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে মৌসুমি ফলগুলো।
মাগুরার আদর্শ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সিয়াম জানায়, তাদের বাড়ির লিচুগাছগুলো মশারি দিয়ে ঘেরা হয়েছে, যাতে পাখিরা লিচুগুলো নষ্ট করতে না পারে।
সদর উপজেলার মঘী গ্রামের সালমা খানম জানান, এ বছর মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন বাড়িতে থোকায় থোকায় জামরুল ধরেছে। গ্রাম ও শহরাঞ্চলে লাল এবং সাদা দুই ধরনের জামরুল পাওয়া যাচ্ছে।
সিংড়া গ্রামের ফয়েজ উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের গাছে বড় বড় কাঁঠাল হয়েছে। একই গ্রামের ওবায়দুর রহমান জানান, একটি কাঁঠাল ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছি।’
ইছাখাদা বাজারের লিচুবিক্রেতা সুকান্ত কুমার বিশ্বাস ও ভান্ডালীপাড়া গ্রামের রোকন শেখ বলেন, একশ লিচু ১৫০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করছি।
ফল বিক্রেতা লিখন চন্দ্র নন্দী জানান, আমাদের দেশীয় ফলের মধ্যে আতা, বেল, গাব, লিচু, আমসহ স্থানীয় ফলের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদার কারণে ভেজালমুক্ত ফল বিক্রি করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
শহরের আম বিক্রেতা ফুলবাড়ি গ্রামের হাফিজ শেখ বলেন, স্থানীয় জাতের প্রতি কেজি আম ৫০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপপরিচালক জানান, আম, কাঁঠাল, লিচু, বেলসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের আবাদ বেড়েছে। এগুলো খুবই অর্থকারী ও লাভজনক ফসল। এ ছাড়া মাগুরাতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আম ও লিচুবাগান বেড়েছে।


