মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাহী প্রকৌশলী গৌরপদ সুত্রধর দীর্ঘদিন ধরে দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে প্রকল্প গ্রহন তা উচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদন করে প্রকল্পের ক্জা না করে খাতা কলমে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে অর্ধকোটি টাকার উপরে আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জাতীয় শ্রমিক লীগ পাউবোর মাগুরা শাখার নেতারা অভিযোগ করে জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ভুয়া বিল ভাউচার প্রদর্শন করে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। ডাইরেক্ট প্রকিওরমেন্ট মেথড (ডিএমপি) প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের নামে ভাউচার প্রদান করা হলেও প্রকৃত পক্ষে কোন কাজ করা হয়নি। দৃষ্টান্তসরূপ মাগুরা আট ভেন্ট রেগুলেটর সংস্কার বাবদ তিন লাখ টাকা উত্তোলন করা হলেও প্রকৃত অর্থে কোন সংস্কার হয়নি। সরেজমিনে রেগুলেটরটি পরিদর্শন কালে সেখানে সংস্কারের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং রেগুলেটরটি নাজুক অবস্থায় দেখা যায়।যা তদন্ত করলে সহজেই চোখে পড়বে।
অভিযোগে জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী পাউবোর বিশ লাখ টাকার গাছ বিনা টেন্ডারে বিক্রি করেছেন। জেলার গাংনালিয়া, কমলাপুর, দোরারনগরসহ বিভিন্ন এলাকার পাউবোর জমি থেকে অবৈধভাবে গাছ কর্তনের পর বিনা টেন্ডারে বিক্রির মাধ্যমে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন।
তাছাড়া নির্বাহী প্রকৌশলী বোর্ডের জমি লিজ প্রদানের মাধ্যমে দশ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহন করেছেন। জেলার ঘাসিয়াড়া, কাদির পাড়া, সাচিলাপুর বাজারসহ বিভিন্ন পাউবোর জমি লিজ গ্রহিতাদের নিকট অবৈধভাবে হস্তান্তর করেন। এসব জমি বর্তমানে বিভিন্ন ব্যক্তি ভোগদখল করে ঘরবাড়ি তুলে ব্যবসাসহ ব্যবহার করে আসছে।
এসব অভিযোগের ব্যাপারে মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গৌরপদ সুত্রধর জানান, ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসাতে চাচ্ছে বলে জানান। তিনি অন্যান্য অভিযোগের ব্যাপারে কোন কথা বলেননি। বার বার এ প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ কারীর নাম জানার চেষ্টা করেণ।এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্থক্ষেপ দাবি করেছে শ্রমিক নেতারা।


