মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমান উল্লাহর ফেয়ারওয়েল নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলায় কর্মরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৭০ ভাগ প্রধান শিক্ষক ও ১০০ ভাগ সহকারী শিক্ষকের মতামত উপেক্ষা করে ফেয়ারওয়েলের ব্যবস্থা করায় এ ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ওই অনুষ্ঠানে যোগদানে বঞ্চিত শিক্ষকরা ফুঁসে উঠেছেন। তারা আড়পাড়া বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারের চায়ের স্টলগুলিতে ব্যাপক সমালোচনা করছেন। যে কোন সময় শিক্ষকদের মধ্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্ম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের ও অরুণ কুমারের নেতৃত্বে মাত্র ৩০ ভাগ প্রধান শিক্ষক নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার ফেয়ারওয়েলের ব্যবস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। নতুন শিক্ষক হারুন অর রশিদ, ইয়ামিন, মফিজুর রহমান ও কৃষ্ণপদের নেতৃত্বে সকল সহকারী শিক্ষক এবং সিনিয়র সরকারী শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম, গোলজার হোসেন, ইয়াসমিন আক্তার ও অজয় কুমারের নেতৃত্বে ৭০ ভাগ প্রধান শিক্ষকের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে। কতিপয় শিক্ষক নিয়ে অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করাই ওইসব শিক্ষকের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষক ইয়ামিন হোসেন জানান, আমি সহ আরো কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষা অফিসে গিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত করলেও তিনি আমাদের কথার কোন গুরুত্ব না দিয়ে ১৫ ডিসেম্বর অল্প কিছু শিক্ষক নিয়ে ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠান করবেন বলে ঘোষণা দেন। আমরা আলাদাভাবে ফেয়ারওয়েলের ব্যবস্থা করবো বলে জানালেও তিনি আমাদের কোন কথায় রাজি হননি। যে কারণে আমরা সকল শিক্ষক ওই অনুষ্ঠান বয়কট ঘোষণা করেছি। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসার আমান উল্লার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, শিক্ষকদের সাথে একটা সমস্যা হয়েছে। আজ মাসিক সভায় ফয়সালা হয়ে যাবে।

