মাগুরানিউজ.কমঃ
‘নোম্যান্স ল্যান্ড’ অজুহাতে দায় এড়িয়ে চলছে নড়াইলের লোহাগড়া, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ও মাগুরার মহম্মদপুর থানা পুলিশ। এ সুযোগে ৩ থানার সীমান্তবর্তী কালিশংকরপুরে মধুমতি নদীর চর এলাকায় সংঘবদ্ধ জুয়াড়িদের উদ্যোগে চলছে অশ্লীল নৃত্য ও রমরমা জুয়ার আসর। ৩ থানার পুলিশ কর্তারা অসামাজিক ওই কার্যকলাপের বিষয়টি জানলেও এলাকাটি তাদের মধ্যে নয়-এমন অজুহাতে দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে জানাগেছে। ফলে উঠতি বয়সী যুবকেরা উচ্ছ্বন্নে যাচ্ছে।
কয়েক বছর ধরে বিশেষ করে গোটা শীত মৌসুমজুড়ে নানা মহলকে ম্যানেজ করে পেশাদার জুয়াড়িরা সীমান্তবর্তী এলাকায় অপ্রতিরোধ্যভাবে নগ্ন নৃত্যের আয়োজনসহ জমজমাট জুয়ার আসর বসাচ্ছেন। চলতি বার্ষিক পরীক্ষার মধ্যেও কোনো প্রকার মেলা বা উৎসব ছাড়াই অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোর কারণে অভিভাবক ও সচেতন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, কয়েক বছর ধরে ৩ থানার সীমান্তবর্তী কালিশংকরপুরে রাতভর উলঙ্গ নৃত্য ও জুয়ার আসর চললেও তা বন্ধে কোনো থানার পক্ষ থেকেই জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হয় না। মাঝেমধ্যে মহম্মদপুর থানা পুলিশ ভেঙ্গে দিলেও ২/১ দিন বন্ধ থাকার পর অজ্ঞাত কারণে তা ফের শুরু হয়। আয়োজকরা পেশাদার জুয়াড়ি। দূরদূরান্ত থেকে একদল মেয়েদেরকে এনে নৃত্যের নামে নগ্নশরীর প্রদর্শণী চালাচ্ছেন তারা। অন্যদিকে রাতভর বসানো হচ্ছে রমরমা জুয়ার আসর। ফলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হচ্ছে না সমাজ বিধ্বংসী কার্যকলাপ। চলতি বার্ষিক পরীক্ষার মধ্যেও এহেন কার্যকলাপ বন্ধ না হওয়ায় পুলিশকেই দুষছেন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, উলঙ্গ নৃত্য ও জুয়ার আসর মহম্মদপুর উপজেলা সীমানায় মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, পেশাদার জুয়াড়িরা কতিপয় স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বেপরোয়াভাবে অসামাজিক ওই কার্যকলাপ চালাচ্ছেন।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিয়ার রহমান বলেন, স্পটটি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মধ্যে, তবে মধুমতি নদীর মহম্মদপুর পাড়ে। সম্প্রতি তিনি উলঙ্গ নৃত্য ও জুয়ার আস্তানা ভেঙ্গে দিয়েছেন বলে জানান।


