আজ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে যুব দিবস উপলক্ষে জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ
- শ্রীপুরে জাতীয় যুব দিবস পালিত
- শ্রীপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত
- শ্রীপুরে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত
- শ্রীপুরে বৈঠাখালীতে শতবর্ষী কবিগানের আসর: মুগ্ধ হাজারো দর্শক
- শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের তিন সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
- শ্রীপুরে বিজয়া দশমীর রাতে মদপানে দুই জনের মৃত্যু
- শ্রীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
- শ্রীপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে ১ জনের মৃত্যু! আহত-৬
- শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও'র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
মাগুরানিউজ.কমঃ
হাতুড়ির টং টং শব্দে সকাল বেলায় যেখানে ঘুম ভাঙতো প্রতিবেশির। সেখানে আজ শ্মশানের নীরাবতা। কামার সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষই তাদের বংশগত পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
তারপরও জীবন ও জীবিকার তাগিদে মহম্মদপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি কামার পরিবার এখনো তাদের বাপ-দাদার এ পেশা ধরে রেখেছেন।
নানা কারণে বড়ই দুর্দিনে দিনাতিপাত করেছেন এই পরিবার গুলো। গৃহস্থালির নিত্য প্রয়োজনীয় দা, বোটি, কুরাল, কাচি, খোন্তা তৈরি করে এক সময় তারা ভালই ছিলেন। কিন্তুু বর্তমানে এ পেশার আয় দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালেতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
আবার অনেকেই পূর্ব পুরুষের পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় ঝুকে পরেছেন। ক্ষুদ্র এ শিল্পের কাচামাল হিসেবে ব্যবহৃত লোহা ও কয়লার দাম অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে তাদের তৈরী জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তারা এই শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
আবার অনেকের পেশা বদলের ইচ্ছা থাকলেও বাড়তি পূঁজি বিনিয়োগ করার সামর্থ না থাকায় তারা এ পেশা আকড়ে ধরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ৩ শতাধিক কামার পরিবারের অধিকাংশ পরিবার ভালো নেই।
উপজেলার সদরের কামার সম্প্রদায়ের রঞ্জিত কর্মকার জানান, এখন লোহার দাম বেশি এবং লোহার জিনিষ পত্র তৈরী করে বিক্রি করতে আমাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।
চালিমিয়া গ্রামের লব কর্মকার বলেন, পাথর কয়লার দাম বেশি এবং কাঠ কয়লা না পাওয়ার কারণে চাহিদা থাকা সত্বেও আমরা জিনিষ পত্র তৈরী করতে পারছিনা। কামার পরিবার গুলোর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা অধিকাংশই ভূমিহীন।
বসবাসের ভিটেমাটি ছাড়া তাদের তেমন কোন যায়গা জমি নেই। তবে প্রয়োজনীয় পূজি না থাকা ও উপকরণ সমূহ সঠিক ভাবে না পাওয়ায় তাদের এই দুরাবস্থার মূল কারণ হিসাবে দেখছেন স্থানীয় অভিজ্ঞ মহল।


