আজ শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম শ্রীপুরের সন্তান সাকিন
- শ্রীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালি ও লিফলেট বিতরণ
- শ্রীপুরে দু-দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩, দোকানঘর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
- শ্রীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরি
- শ্রীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- শ্রীপুরে ধর্ষণ মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১
- শ্রীপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন
- সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ
মাগুরানিউজ.কমঃ
হাতুড়ির টং টং শব্দে সকাল বেলায় যেখানে ঘুম ভাঙতো প্রতিবেশির। সেখানে আজ শ্মশানের নীরাবতা। কামার সম্প্রদায়ের অধিকাংশ মানুষই তাদের বংশগত পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
তারপরও জীবন ও জীবিকার তাগিদে মহম্মদপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি কামার পরিবার এখনো তাদের বাপ-দাদার এ পেশা ধরে রেখেছেন।
নানা কারণে বড়ই দুর্দিনে দিনাতিপাত করেছেন এই পরিবার গুলো। গৃহস্থালির নিত্য প্রয়োজনীয় দা, বোটি, কুরাল, কাচি, খোন্তা তৈরি করে এক সময় তারা ভালই ছিলেন। কিন্তুু বর্তমানে এ পেশার আয় দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালেতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
আবার অনেকেই পূর্ব পুরুষের পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় ঝুকে পরেছেন। ক্ষুদ্র এ শিল্পের কাচামাল হিসেবে ব্যবহৃত লোহা ও কয়লার দাম অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে তাদের তৈরী জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তারা এই শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
আবার অনেকের পেশা বদলের ইচ্ছা থাকলেও বাড়তি পূঁজি বিনিয়োগ করার সামর্থ না থাকায় তারা এ পেশা আকড়ে ধরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ৩ শতাধিক কামার পরিবারের অধিকাংশ পরিবার ভালো নেই।
উপজেলার সদরের কামার সম্প্রদায়ের রঞ্জিত কর্মকার জানান, এখন লোহার দাম বেশি এবং লোহার জিনিষ পত্র তৈরী করে বিক্রি করতে আমাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।
চালিমিয়া গ্রামের লব কর্মকার বলেন, পাথর কয়লার দাম বেশি এবং কাঠ কয়লা না পাওয়ার কারণে চাহিদা থাকা সত্বেও আমরা জিনিষ পত্র তৈরী করতে পারছিনা। কামার পরিবার গুলোর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা অধিকাংশই ভূমিহীন।
বসবাসের ভিটেমাটি ছাড়া তাদের তেমন কোন যায়গা জমি নেই। তবে প্রয়োজনীয় পূজি না থাকা ও উপকরণ সমূহ সঠিক ভাবে না পাওয়ায় তাদের এই দুরাবস্থার মূল কারণ হিসাবে দেখছেন স্থানীয় অভিজ্ঞ মহল।


