মাগুরানিউজ.কমঃ
ভারতের আলোচিত সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গন বেশ গরম। এ কেলেঙ্কারিতে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও দলটির প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বলেছেন, কেউ যদি এ ব্যাপারে প্রমাণ দিতে পারেন, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি। দিল্লিতে এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মঙ্গলবার তিনি এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মমতা বলেন, ‘আপনাকে প্রথমে এটা প্রমাণ করতে হবে। আপনাকে তথ্য-প্রমাণ দিতে হবে। এটা (সারদা) আমাদের সময় হয়নি। এটা বাম, কংগ্রেস ও বিজেপি আমলে হয়েছে। তৃণমূল এতে জড়িত আপনারা যদি প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে আমার পদ থেকে পদত্যাগ করব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা অভিযুক্তকে (সুদীপ্ত সেন) গ্রেফতার করেছি। জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করেছি। অর্থগুলো পাঁচ লাখ লোককে ফিরিয়ে দিয়েছি। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।’
বাংলাদেশী অনুপ্রবেশের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনপ্রবেশ বেড়ে গেলে সে সম্পর্কে সচেতন করা (রাজ্য প্রশাসনকে) কেন্দ্রের দায়িত্ব। কিন্তু তারা আমাদের জানায়নি। তারা নিজেরাও এটা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’
এ সময় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইসলামপন্থী বিদ্রোহীদের মদদে বিজেপির অমিত শাহর করা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘সে কে (অমিত)? আমি তাকে চিনি না। তাকে কখনও দেখিনি। আমি আদভানিজিকে চিনি, বাজপেয়িজি, রাজনাথজি, অরুণ জেটলি, সুষমাজিকে চিনি। আমি বিজেপি, কংগ্রেস ও অন্যান্য দলের অনেক নেতাকে চিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে (অমিত) রাজনৈতিকভাবে এ বিবৃতি দিয়ে থাকতে পারে। আমি একটি কথা বলতে চাই, বাংলায় বিজেপি কখনই ঘাঁটি গাড়তে পারবে না। এবার (লোকসভা নির্বাচনে) তারা চেষ্টা করেছে, অনেক অর্থ ব্যয় করেছে। এমনকি সব গণমাধ্যম কিনে নিয়েও তারা এখানে জিততে পারেনি। আমরা ৪২টি আসনের মধ্যে ৩৪টি পেয়েছি।’
এ সময় দেশটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেলফি ‘স্টাইল’রও সমালোচনা করেন মমতা।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা মঙ্গলবার ভারতের প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখোপাধ্যায় ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন। সারদা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমলের সংসদ সদস্য কুণাল ঘোষ কারাগারে রয়েছেন। এ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকায় রাঘববোয়ালদের গ্রেফতার না করার কারাগারে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে কুণাল
তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।


