মাগুরানিউজ.কমঃ
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পৌঁছান ভারতীয় ব্যাটিং জিনিয়াস শচীন টেন্ডুলকার। হেলকপ্টারযোগে বন্দর নগরীতে পৌঁছেন ক্রিকেট ঈশ্বর। পৌরসভার বিশ্বরোড এলাকায় বালুর মাঠে হেলিকপ্টার থেকে অবতরণ করেন শচীন।
এর আগে বেলা ১১ টায় ঢাকায় পৌঁছে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘লিজেন্ড অব রূপগঞ্জ’ ক্লাবের মোড়ক উন্মোচন করেন জীবন্ত ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন। এরপর ইউনিসেফের বিশেষ দূত হিসেবে নগরীর তারার পৌরসভার নোয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্যানিটেশন সম্পর্কে পরামর্শও প্রদান করেন ‘ব্যাটিং মায়েস্ত্রো’।
এই সময় লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের কর্ণধার লুৎফর রহমান বাদল শচীনের পাশে উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ১২.৫০ মিনিটে রূপগঞ্জ ত্যাগ করেন ভারতীয় লিটল জিনিয়াস।
গত বছরের নভেম্বরে খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর প্রথম বাংলাদেশ সফরে এলেন এই ক্রিকেট কিংবদন্তি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের আমন্ত্রণে এ সফরে এসেছেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নতুন নামকরণ হওয়া ক্লাব লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের লোগো উন্মোচনের জন্যই তার এ সফর।
হোটেল সোনারগাঁওয়ে গাজী ট্যাঙ্ক ক্রিকেটার্সের নাম বদলের পর ‘লিজেন্ড অব রূপগঞ্জ’র লোগো উন্মোচন করে ক্রিকেট লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকার বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট পাগল দর্শকদের সান্নিধ্য বিশ্বের সব ক্রিকেটারই আরাধ্য। আমি আমার ক্রিকেটার জীবনে এদেশের ক্রিকেট পাগল মানুষের উন্মাদনা উপভোগ করেছি। এখানকার ক্রিকেটের উন্নযনে আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে রূপগঞ্জ থেকে হোটেল সোনারগাঁওয়ে পৌঁছান শচীন। সেখানে ইলিশ দিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজ সারেন তিনি।
মধ্যাহ্ন ভোজ ও ইলিশের প্রশংসা ছিল তার পুরো বক্তব্য জুড়ে।
এরপর শচীনের হাতে বাংলাদেশের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য নকশী কাঁথা, একটি মূরাল ও হাতের ছাপ সম্বলিত একটি রেপ্লিকা তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় লিজেন্ড অব রূপঞ্জের সব খেলোয়াড়, স্পন্সর উদ্যোক্তা, দেশের ক্রিকেটের বর্তমান ও সাবেক খেলোয়াড়সহ এর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের ক্রিকেট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।


