মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা জেলা সদরসহ ৪ উপজেলার বিভিন্ন সড়ক কৃষাণ-কৃষাণির উঠান ও আঙিনায় পরিণত হয়েছে। গম, জব, ধুনিয়া, কলাইসহ বিভিন্ন ফসলের মাঠ থেকে তুলে বাড়িতে আনছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষক-বধূরা ওইসব ফসল অতিদ্রুত শুকানো ও গোলায় তোলার জন্য নির্বিঘ্নে ব্যবহার করছেন বিভিন্ন ব্যস্ততম সড়ক। যে কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিভিন্ন সড়ক। ফলে পথে পথে ঘটছে দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
মাগুরা সদর, মহম্মদপুর, শ্রীপুর ও শালিখা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন শুকানো হচ্ছে ওইসব ফসল। ব্যস্ততম প্রধান সড়ক বাদেও উপজেলাগুলোর বিভিন্ন গ্রামের ভেতরের রাস্তাগুলোতেও একইভাবে স্থানীয় লোকজন অবাধে পিচ্ছিল ফসল নেড়ে শুকাচ্ছেন। গরু দিয়ে মলন দেয়া থেকে রেহাই ও অধিক পরিশ্রম থেকে পরিত্রাণসহ কম সময়ে শুকানোর সুবিধা এবং ফসল গোলায় তোলার জন্য সহজলভ্য পন্থা হিসেবে রাস্তায় রাস্তায় শুকানো হচ্ছে নানা ফসল। ওইসব ফসলের ওপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন এমনিতেই পিছলে দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। এছাড়া ওইসব ফসলের ওপর ব্রেক কষলেই দুর্ঘটনা এড়ানো দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। ফলে হরহামেশায় ঘটছে দুর্ঘটনা। বিশেষ করে গম ও জবের নেড়ে দেয়া কাটাগুচ্ছে বাইসাইকেল এবং মোটরসাইকেল পিছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উদাসীনতায় পথে পথে ঘটছে দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, মাগুরা-শ্রীপুর সড়ক, শ্রীপুর কেষ্টপুর সড়ক, শ্রীপুর সাচিলাপুর সড়ক, খালবোয়ালপাড়া-লাঙ্গলবাঁধ সড়ক, ওয়াপদা-শ্রীপুর সড়ক; সীমাখালী-শালিখা ভায়া বুনাগাতী সড়ক, আড়পাড়া-শালিখা সড়ক, আড়পাড়া-বরইচরা সড়ক, আড়পাড়া-কালীগঞ্জ সড়ক; মাগুরা-আলোকদিয়া সড়ক, মাগুরা-বুনাগাতী সড়ক; মহম্মদপুর-বিনোদপুর সড়ক, ধোয়াইল-নহাটা সড়ক. মহম্মদপুর-ডাঙ্গাপাড়া সড়ক, আওনাড়া-বাবুখালী সড়ক এবং মহম্মদপুর-পাল্লা সড়কসহ মাগুরার ৪ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে উঠোন ও আঙিনা হিসেবে। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোয় অবিলম্বে ঝুঁকি এড়ানো ও দুর্ঘটনা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।


