মাগুরানিউজ.কমঃ
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার বৃত্তি পেয়েছে ৫৪ হাজার ৪৮১ জন।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এই তথ্য জানান।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ট্যালেন্টফুল কোটায় ৩২ হাজার ৪৯৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর আগে পঞ্চম শ্রেণির কিছু সংখ্যক নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আলাদা পরীক্ষা নিয়ে বৃত্তি দেওয়া হলেও ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এতে পঞ্চম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাচ্ছে। ফলে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আলাদা পরীক্ষা নিয়ে বৃত্তি দেওয়া হলেও ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।’
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি মাসে দুইশ’ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে দেড়শ’ টাকা করে পেয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া বৃত্তিপ্রাপ্ত সবাইকে বছরে এককালীন দেড়শ’ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। বৃত্তির মেয়াদ উভয় ক্ষেত্রে তিন বছর।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রাথমিকে ঝরে পড়া রোধে আনন্দ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আনন্দ স্কুল থেকে সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩০ হাজার ৪৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩ জন বৃত্তি পেয়েছে। সারা দেশে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ৩ হাজার ৫৬৩ জন উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬০ জন বৃত্তি পেয়েছে।
গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৫৪ হাজার ৪১২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়। এর মধ্যে ২১ হাজার ৯৭৮ জনকে মেধাবৃত্তি (ট্যানেন্টপুল) এবং ৩২ হাজার ৪৩৪ জনকে সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হয়।
সর্বশেষ প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৭৮১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৩ জন পাস করে। জিপিএ-৫ পায় দুই লাখ ২৪ হাজার ৪১১ জন।


