পুরো মাগুরা শহর যেন ঈদবাজার

মাগুরানিউজ.কম:
পুরো মাগুরা শহর যেন ঈদের আমেজে ঘেরা। যেখানে চোখ পড়ে, সেখানেই মানুষ। কেউ হাঁটছেন, কেউ দেখছেন, কেউ নাড়ছেন, কেউ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে এদিক-ওদিক ছুটছেন। এসবই মাগুরার ফ্যাশন হাউস ও বিপণিকেন্দ্র গুলোতে আসা ঈদবাজারের ক্রেতাদের চিত্র। শেষ মুহূর্তের ঈদ কেনাকাটা সত্যিই জমে উঠেছে। যারা গ্রামের বাড়ি ফেরার পথে, তাদের সবাই ঈদ কেনাকাটা প্রায় শেষ করেছেন। যারা মাগুরায় আছেন, তারাও রমজানের শেষ মুহূর্তে পছন্দমতো সময় বেছে নিয়ে ছুটছেন কেনাকাটা করতে,মাগুরা শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও  দোকানগুলোতে । ব্যস্ততার কারণে যারা ঈদের কেনাকাটা করতে পারেননি, তারাও রয়েছেন এ তালিকায়। ফুটপাত থেকে অভিজাত বিপণিবিতান- কোথাও এতটুকু ফাঁকা নেই। মাগুরার ফ্যাশন হাউস ও বিভিন্ন মার্কেট ও  দোকানগুলোতে ছিল ক্রেতাদের ভিড়ে ঠাসা। যেখানে ভিড়, সেখানেই ভোগান্তি ও বিড়ম্বনা। একই সঙ্গে বিপণিবিতান কেন্দ্রিক যানজটও ছিল তীব্র।

ফুটপাত থেকে অভিজাত বিপণিবিতান সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে সুপারমার্কেটের সামনে বাজারের সামনে সকাল থেকেই যানজট ছিল। এক ক্রেতা বলেন, ভোগান্তি যেন কম হয়, সেজন্য আগেভাগেই মার্কেটে এসেছি। কিন্তু ভিড়ের কারণে কেনাকাটা করতে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়েছে। কারণ একই পোশাকের হরেক দাম।

শহরের আতর আলী রোডের বেবি প্লাজা, নুরজাহান প্লাজা, হাজীপুর কমপ্লেক্স, খাঁন মার্কেট, গাজী টাওয়ার,নুতন বাজার এলাকার মার্কেট ও বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায় মার্কেটে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হওয়ায় ঈদ পোশাক সঠিক মূল্যে বাছাই করে কেনা সম্ভব হচ্ছে না।

aaaaaafyhdftu asdfghমতিয়া বেগম নামের এক ক্রেতা বলেন, দোকানিরা ইচ্ছেমতো হাঁকাচ্ছে পোশাকের দাম। স্থান ও পরিবেশের কারণে একই পোশাক কোনো কোনো মার্কেটে দ্বিগুণ ও তিন গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।একই পণ্যের দামের এ ভিন্নতার কারণে ক্রেতাদের পোহাতে হচ্ছে নানা ভোগান্তি; মূল্য যাচাইয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আবার একই শাড়ির দামের মধ্যেও পার্থক্য দেখা গেছে বিভিন্ন দোকানে।

ঈদে কাকে কী দেবেন, তার তালিকা তৈরি করে মার্কেটে নিয়ে এসেছেন অনেকে। পছন্দের জিনিসটি খুঁজে পেতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন। অনেকে পোশাক দেখছেন, কিনবেন কিনা, সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। অনেকে নাড়াচাড়া করে অন্য দোকানে যাচ্ছেন। কেউ আবার ঝটপট কিনে ব্যাগ ভরে হাঁটা দিচ্ছেন নিজ গন্তব্যে।

শহরের আতর আলী রোডের বেবি প্লাজা, নুরজাহান প্লাজা, হাজীপুর কমপ্লেক্স, খাঁন মার্কেট, গাজী টাওয়ার,নুতন বাজার এলাকার মার্কেট ও বিভিন্ন দোকানে তরুণ-তরুণীসহ ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মার্কেটভেদে পোশাকের দামের ভিন্নতার কারণে ন্যায্যমূল্য থেকে ক্রেতা বরাবরের মতোই বঞ্চিত হচ্ছেন।

asdবেবি প্লাজা, নুরজাহান প্লাজা, হাজীপুর কমপ্লেক্স, খাঁন মার্কেট, গাজী টাওয়ার,নুতন বাজার এলাকার মার্কেট ও বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ছেলেদের একটি শার্ট বিক্রি করা হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। এসব মার্কেটে পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার  থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত, আর টি-শার্টের দাম রাখা হচ্ছে ৫০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। আবার ছেলেদের জন্য জিন্সের প্যান্টের দাম রাখা হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। এ মার্কেটের অধিকাংশ দোকানে পণ্যের দাম নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, মূল্য যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। বেশি দামের কারণে ক্রেতাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আবার পণ্য পছন্দেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।নিতুন চৌধুরী নামের এক ক্রেতা বললেন, এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছি। যে হারে পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে পোশাক দেখা ছাড়া আর কেনার সাধ্য নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: