মাগুরানিউজ.কম:

মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ এর সারেং (চালক) গোলাম নবী (৫০) নিখোঁজ রয়েছেন।তার বাড়ি মাগুরার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে।দুর্ঘটনার পর থেকে সারেং গোলাম নবীর গ্রামের বাড়ি মাগুরার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে চলছে শোকের মাতম।
দুর্ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ এর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। লঞ্চের অনেক যাত্রীর সঙ্গে সারেং (চালক) গোলাম নবীও (৫০) নিখোঁজ রয়েছেন।কি ঘটেছে পিনাক-৬ এর সারেং নবীর ভাগ্যে? উদ্বেগ উৎকন্ঠা নিয়ে প্রতিটি মুহুর্ত কাটছে তার পরিবারের সদস্যদের।
জানা যায় মাগুরা সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে গোলাম নবী মাগুরা সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে ছুটি শেষে রোববার (৩আগস্ট) পিনাক-৬ এ কাজে যোগদান করেন।
৩০ বছর ধরে তিনি লঞ্চের সারেং হিসেবে কাজ করছেন। সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে পদ্মা পাড়ি দিতে গিয়ে মাঝ নদীতে ডুবে যায় পিনাক-৬ নামে প্রায় তিনশ’ যাত্রীবাহী লঞ্চটি। এ ঘটনার পর থেকে স্বামীর খোঁজে আত্মীয়দের সঙ্গে দুই ছেলে রাজু ও সজিবকে মাওয়ায় পাঠিয়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠা আর কান্নায় সময় পার করছেন সারেং এর স্ত্রী মেরিনা বেগম।
মেরিনা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, তার স্বামী গোলাম নবী একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ চালক ছিলেন। ত্রিশ বছরের চাকরি জীবনে তিনি কখনো লঞ্চ ডুবির সম্মুখিন হননি। তিনি সব সময় বলতেন প্রাণ থাকতে আমার লঞ্চ ডুববে না। কিন্তু গত সোমবার হঠাৎ কিভাবে লঞ্চ ডুবি হলো তা আমরা বুঝতে পারছি না।
গোলাম নবীর আত্মীয় আরিফুল ইসলাম ও হাকিম বিশ্বাস বাংলানিউজকে জানান, গোলাম নবী নিখোঁজ হওয়ার সংবাদে তার সংসারে অন্ধকার নেমে এসেছে। তার দু’টি ছেলেই এখন ছাত্র। তাদের লেখাপড়া ও ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে।

