মাগুরানিউজ.কমঃ
আওয়ামী লীগ আলোচনার ‘অঙ্গীকার’ রক্ষা করেনি মন্তব্য করে সংকট উত্তরণে সরকার ও সব পক্ষের সামনে সাত দফা প্রস্তাব তুলেছেন বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া। তার প্রস্তাবের মূল বক্তব্য হলো ‘নির্দলীয়’ সরকারের অধীনে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান। নির্দলীয় সরকার হবে ‘প্রতিদ্বন্দ্বী সব পক্ষের’ সম্মতির ভিত্তিতে।
সাত দফা দাবিতে ‘জাতীয় ঐক্যমত প্রতিষ্ঠার’ অঙ্গীকার ঘোষণা করে সব গণতান্ত্রিক দল, শক্তি ও ব্যক্তিকে তাতে শরিক হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
তার প্রস্তাবগুলো হলো-
১ জাতীয় নির্বাচন ‘অবশ্যই’ নির্দলীয়-নিরপক্ষে সরকারের অধীনে হতে হবে।
২. নির্বাচন ঘোষণার আগেই প্রতিদ্বন্দ্বী সব পক্ষের সম্মতিতে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে, যাতে বর্তমান আরপিও সংশোধন করা যায়।
৩. নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রিসভা ও জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হবে এবং ‘প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর সম্মতিতে গঠিত’ নির্দলীয় সরকার দায়িত্ব নেবে।
৪. ভোটের তারিখ ঘোষণার পর সারা দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
৫. সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালানোর পাশাপাশি ‘চিহ্নিত ও বিতর্কিত’ ব্যক্তিদের প্রশাসনের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করতে হবে।
৬. সব রাজবন্দিকে মুক্তি দিতে হবে এবং রাজনৈতিক নেতাদের নামে থাকা ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
৭. এ সরকারের সময়ে ‘বন্ধ করে দেওয়া’ সব সংবাদপত্রে ও টেলিভিশন খুলে দিতে হবে এবং আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আটক সব সাংবাদিককে মুক্তি দিতে হবে।


