মাগুরানিউজ.কমঃ

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের পথে রওয়ানা হয়েছে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স।
মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দর থেকে রওয়ানা হয়।
এর আগে বেলা পৌনে ১২টার দিকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে কোকোর মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে।
বেলা সোয়া ১২টার পর পরিবারের পক্ষ থেকে কোকোর মরদেহ বুঝে নেন তার চাচাতো ভাই মাহবুবুল আলম ডিউক। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খালেদা জিয়া মনোনিত বিএনপির পাঁচ নেতা।
এরা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লা আল নোমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয় থেকে রওয়ানা হয়ে তারা পর্যায়ক্রমে বিমানবন্দরের পৌছান। কোকোর মরদেহ বহনের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সও বিমানবন্দরে পৌঁছায় যথাসময়ে।
এয়ারপোর্টে আরও উপস্থিত হন বিএনপির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক এমএ মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফললুল হক মিলন ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর নাছির উদ্দীন।
কোকোর মরদেহ আসা উপলক্ষে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা যেমন বাড়ানো হয়, তেমনি সীমিত করা হয় যান ও জন চলাচল।
বিএনপির কিছু উৎসাহী নেতাকর্মীও জড়ো হন বিমানবন্দরে।
গত শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মালয়েশিয়ায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়।

