মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত এক জয় পেলো বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। তবে শুধু জয়ই নয়, আফগানদের বিপক্ষে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে ছোট-খাট বেশ কিছু রেকর্ড গড়ে ফেলেছে বাংলাদেশ।
৪০৪০ : সাকিব আল হাসানের ওয়ানডে রান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সাকিবের এই মাইলফলকে পৌঁছাতে প্রয়োজন ছিল ২৩ রান। শুধু ২৩ রানই নয়, এর চেয়েও আরও ৪০ রান বেশি এসেছে সাকিবের ব্যাট থেকে এবং বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি পৌঁছে গেলেন চার হাজার রানের মাইলফলকে। তামিমেরও সুযোগ ছিল। কিন্তু ১০ রান দুরে থাকতে আউট হয়ে গেলেন তিনি। তামিমের এখন রান ৩ হাজার ৯৯০।
১১৪: পঞ্চম উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিম এবং সাকিব আল হাসানের সংগ্রহ ১১৪ রান। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি। সাকিব মুশফিকের এই জুটি বাংলাদেশের হয়ে প্রথম কোন সেঞ্চুরি কিংবা তারও বেশি রানের পার্টনারশিপ।
৪: বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে এ নিয়ে চারবার সাকিব আর মুশফিক সেঞ্চুরি কিংবা তারও বেশি রানের জুটি গড়লেন। যেটা আবার বাংলাদেশী জুটিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। দু’জন মিলে বিভিন্ন ছোট-বড় জুটিতে করেছেন ১৭২৫ রান এবং বাংলাদেশী যে কোন জুটিতেও এটা সর্বোচ্চ।
৬: ওয়ানডেতে টানা ৬ষ্ঠ জয় পেলো বাংলাদেশ। এর আগে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা পাঁচটি ওয়ানডেতে জয় পেয়েছিল মাশরাফিরা। তবে ২০০৬-০৭ সালে বাংলাদেশ টানা ৯টি ম্যাচে জয় পেয়েছিল। এবারেরটা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে।
২৬৭: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস হচ্ছে ২৬৭। এর আগে মোট ৬ ম্যাচ খেলার পর একবারও দেড়শ’র মাইলফলক পেরোতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে কেয়ার্নসে ১৪৭ রানই ছিল সর্বোচ্চ।
১০৫: বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যাবধানে জয়ের রেকর্ড হচ্ছে আফগানিস্তানকে ১০৫ রানে হারানো। এর আগে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড হচ্ছে ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৭ রানে জয়।
১২৯: ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ এ নিয়ে ১২৯ বার অলআউট হলো। আবার ২৬৭ রান হচ্ছে অলআউট হওয়া ইনিংসগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৬৫ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। তবে এই দুই মাজেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।


