মাগুরানিউজ.কম:
উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর গড় পাসের হার ৭৮.৩৩ শতাংশ।
সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৪.৫৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭০.০৬ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৮.৫৫ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭০. ১৪ শতাংশ, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১৬ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৭৫ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৪.১৪ শতাংশ ও যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০. ৮৫ শতাংশ।
এ বছর কলেজগুলোতে পাসের হার ৭৫.৭৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৭ হাজার ৭৮৯ জন।
মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৪.০৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ২৫ জন।
কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৫.০২ শতাংশ।
শতভাগ পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক হাজার ১৪৭টি। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাসের হার ৮২.৯৩ শতাংশ।
ছেলেদের মধ্যে পাসের হার ৭৭.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ৩৮ হাজার ৭৮৭ জন।
মেয়েদের মধ্যে পাসের হার ৭৮.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ৮১৫ জন।
বুধবার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন।
বেলা একটায় শিক্ষামন্ত্রী সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
এবারও ভিডিও কনফারেন্সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিগত কয়েক বছর ধরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে। আগামী ১৫ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই এবার ফল প্রকাশ হবে।
গত ৩ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) ও ডিআইবিএস পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় গত ৮ জুন।
দশটি বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৪১ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।
গত বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পায় ৫৮ হাজার ১৯৭ জন।

