আমির খাঁনের ‘পিকে’ দেখেছেন, এবার দেখুন বাংলার ‘পিকে’

মাগুরানিউজ.কমঃ 

11025814_1614558585442757_5c822412360239036373_n

মাগুরাবাসী আমির খাঁনের ‘পিকে’ দেখেছেন, এবার দেখুন বাংলার ‘পিকে’। এটি কোনো সিনেমা নয়। গ্রাম-বাংলার অতি পরিচিত দৃশ্য এটি। মাগুরার অধিকাংশ পুকুর-খাল-বিলের পানি ইতিমধ্যে শুকিয়ে এসেছে। আর সেসব শুকনো জলাশয়ে মাছ ধরতে গিয়ে কিশোর-কিশোরীরা গায়ে কাদা মেখে মেতে উঠেছে দুরন্তপনায়। 

প্রতিবছর মাগুরা সদর শ্র্রীপুর, মহম্মদপুর ও শালিখার বিভিন্ন এলাকার নদী বাঁওড় খাল বিল পুকুর বর্ষায় প্লাবিত হয়। আষাঢ় মাসে নানা জাতের দেশীয় মাছ ডিম ছেড়ে বংশ বিস্তার করে।

এসব মাছের মধ্যে পুটি, স্বরপুটি, কৈ, শিং, শৈল, গজার, টাকি, টেংরা, বাইন, চিংড়ি, বেতরঙ্গি, বাতাসি, বোয়াল ও খৈয়া অন্যতম। বর্ষায় পানি বাড়ার সাথে সাথে মাছ দ্রুত বড় হয়।

জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের নদী বাঁওড় খাল বিল পুকুর শুকিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে এখন মাছ ধরার উৎসব চলছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব মাছ ঢাকাসহ পাশ্ববর্তী ফরিদপুর, নড়াইল, যশোর, কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ ও খুলনাসহ বিভিন্ন জায়গায় চালান হচ্ছে। পেশায় জেলে নয় এমন লোকজনও মাছ ধরে ও বিক্রি করে বাড়তি টাকা আয় করছেন।

মহম্মদপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আলীমুজ্জামান জানান, এক সময় এ এলাকায় মিঠা পানির মাছের প্রাচুর্য ছিল। কিন্তু, জমিতে অত্যাধিক রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ও এবং শুকনো মৌসুমে ইরি ধান আবাদের পানির জন্য পাম্প দিয়ে খাল-বিলের পানি শুকিয়ে ফেলায় দেশীয় জাতের মাছের বংশধারা চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। এতে অনেক জাতের মাছ এ এলাকা থেকে হারিয়ে গেছে।

মাগুরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন জানান, নানা প্রজাতির দেশীয় মাছের বংশধারা রক্ষায় সবাই এগিয়ে আসলে দেশের মাছের চাহিদা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।  

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
%d bloggers like this: