মাগুরানিউজ.কমঃ
আদালতে আনার পথে যশোরে পুলিশের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি বিএনপি নেতাসহ জামায়াতের আরেক নেতা পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় এক জন এএসআই ও দুই কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শার্শা থেকে যশোর আদালতে আনার পথে ঝিকরগাছার গাজীর দরগাহ ও নতুনহাট এলাকার মধ্যবর্তী স্থান থেকে তারা পালিয়ে যান।
পালাতক আবদুল মজিদ ছাত্রদল সাতক্ষীরা পৌর শাখার সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য। এছাড়া তিনি ২০০২ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর হামলা মামলার আসামি। ২০১৪ সালে কলারোয়া থানায় এ মামলা হয়েছিল।
আর শহিদুল ইসলাম সাতক্ষীরা ও কলারোয়া থানায় হত্যা, নাশকতাসহ পাঁচটি মামলার আসামি। তিনি ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা। বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সদস্য। বুধবার শার্শার কায়বা এলাকা থেকে তাদের দু’জনকে আটক করে পুলিশ।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) শফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান জানান, আটক দু’জনই সাতক্ষীরার বাসিন্দা। বুধবার শার্শা থেকে আটক হন আবদুল মজিদ ও শহিদুল ইসলাম। যেহেতু যশোরের কোনো থানায় ওই দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা নেই। তাই পুলিশ তাদের ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে আনছিল। পথে ঝিকরগাছার গাজীর দরগাহ এলাকা থেকে তারা পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ ভ্যানে আনলে তারা পালানোর সুযোগ পেতেন না। গাড়ি সঙ্কটের কারণে মাহেন্দ্র রিকুইজিশন করে তাদের যশোর আদালতে আনা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় এক জন এএসআই ও দুই কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলাও করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।


