মাগুরানিউজ.কমঃ
ভাষাদিবসে বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই সফরে সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রজগৎ থেকে শুরু করে শিল্প-সাহিত্য-রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা সঙ্গী হচ্ছেন৷মোট ৩৭ জনের এই প্রতিনিধিদলে সবচেয়ে বড় চমক হল প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কবীর সুমন এবং সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়৷সফরসঙ্গীর তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন না সেলিব্রেটি সাংসদরাও। যাচ্ছেন সাংসদ দেব ও মুনমুন সেন। অভিনেতাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন, অভিনেতা প্রসেনজিৎ, প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা, পরিচালক গৌতম ঘোষ, নচিকেতা৷ থাকছেন কবি সুবোধ সরকার, শান্তনু মহারাজ, কল্যাণী কাজি, ইন্দ্রনীল সেন, সৌমিত্র রায়, শিবাজি পাঁজা৷মন্ত্রীদের মধ্যে এই দলে থাকবেন পর্যটনমন্ত্রী ব্রাত্য বসু, পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
অন্যদিকে, বাংলায় শিল্পপরিবেশ ফের ফিরিয়ে আনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে, তাঁর সঙ্গে শিল্পপতিরা থাকবেন না তাই কি কখনও হয়। শিল্পপতিদের মধ্যে যাচ্ছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা, হর্ষ নেওটিয়া৷ এছাড়াও মুখ্য সচিব সঞ্জয় মিত্র, মুখ্যমন্ত্রীর সচিব গৌতম সান্যাল, মাঝারি ও ক্ষুদ্রশিল্প দপ্তরের সচিব রাজীব সিনহা৷ থাকছেন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ডিরেক্টর সিকিউরিটি বীরেন্দ্র, কুসুমাকার দ্বিবেদী, স্বরূপ গোস্বামী ওই দলে৷ এছাড়া থাকবেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই তালিকাটি আপাতত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে৷
চার দিনের সফরে ১৯ ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী ঢাকায় যাবেন৷ ২২ ফেব্রুয়ারি দলটি কলকাতায় ফিরে আসবে৷ উল্লেখ্য, ওই সময় প্রসেনজিৎ বাংলাদেশেই শুটিংয়ের জন্য থাকবেন৷ প্রসঙ্গত, ২২ ডিসেম্বর কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে যান সেদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ৷ তারপর আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিঠি৷ সেই সময়ই বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের প্রতিনিধিদের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি ঢাকায় যেতে যান একুশে ফেব্রুয়ারির সময়৷ ভাষাদিবসের অনুষ্ঠান দেখতে চান৷ ঘুরে দেখতে চান ঢাকা শহর৷ সেইমতোই বাংলাদেশে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে৷ বাংলাদেশে তুমুল উৎসাহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সফর ঘিরে৷ সেখানকার মানুষ আশা করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গেলেই স্হলসীমাম্ত চুক্তির বিষয়টির সমাধান হবে৷ তাঁদের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হবে৷জি নিউজ


