মনিরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক-
আজ শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
- শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে বিনামূল্যে পাট বীজ বিতরণ
- মাগুরা নিউজের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক অ্যাডভোকেট রাজীব কুমার মিত্র জয়ের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- শ্রীপুরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
- শ্রীপুরে বজ্রপাতে দিনমজুরের মৃত্যু, আহত ১ নারী
শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীরের পূর্বপাশে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে অর্ধশত দোকান। প্রাচীরের উচ্চতা দোকানগুলো থেকে কম হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক এলাকায় বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলাচলের বিভিন্ন দৃশ্য দেখা যায় পার্শ্ববর্তী দোকান গুলো থেকে। এছাড়াও দোকানগুলো থেকে খুব সহজেই প্রাচীর টপকিয়ে প্রবেশ করা যায় হাসপাতালে। দোকান গুলোতে আশা চা-ধুমপায়ীদের অশ্লীন কথোপকোথন ও বকাবাজিতে অতিষ্ঠ হাসপাতালের আবাসিক এলাকায় থাকা কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
আজ সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশের প্রাচীরের উপর বসে চা ও ধুমপান করছেন কয়েকজন যুবক। প্রাচীরের উচ্চতা দোকানগুলো থেকে কম হওয়ায় দোকানে আসা বিভিন্ন লোকজন খুব সহজেই প্রবেশ করতে পারে হাসপাতাল চত্তরে যেখানে অপ্রতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। হাসপাতালটির আবাসিক হলে থাকা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সুমিতা সরকার বলেন, আবাসিক ভবনের পার্শ্ববর্তী দোকান গুলোতে বিভিন্ন সময় বকাবাজি করা হয় যা শুনতে অনেকটা খারাপ লাগে, এছাড়া বিভিন্ন সময়ে দোকানে আসা বিভিন্ন লোক হাসপাতালের মধ্যে বিভিন্ন ময়লা আর্বজনা ফেলে যাতে করে হাসপাতালে ময়লা আবর্জনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আর এম ও) ডা: আব্বাস উদ্দিন বলেন, হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা দোকান গুলোতে রাতদিন চা- ধুমপায়িদের আড্ডা চলে। যেখান থেকে আবাসিক এলাকায় থাকা বিভিন্ন লোকজনের চলাচল খুব সহজেই দেখা যায়। যা খুবই দৃষ্টিকটু বলে মনে করেন তিনি।
এব্যাপারে অভিযুক্ত কয়েকজন দোকানদার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, এখন থেকে বিষয়টা খুব গুরুত্বের সাথে দেখবো। এছাড়াও তাদের দ্বারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যেন কোন ক্ষতি না হয়। সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবেন বলে জানান তারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইমুন নিছা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীরের উচ্চতা পার্শ্ববর্তী দোকানের উচ্চতা থেকে কম হওয়ায় হাসপাতালের প্রাচীরটি খুব সহজেই টপকানো যায়। এতে করে হাসপাতালের পরিত্যক্ত বিভিন্ন জিনিস চুরি হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও আবাসিক ভবনে থাকা বিভিন্ন কর্মকর্তা -কর্মচারিদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়াও অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা দোকান বিষয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

