আজ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
- শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে বিনামূল্যে পাট বীজ বিতরণ
- মাগুরা নিউজের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক অ্যাডভোকেট রাজীব কুমার মিত্র জয়ের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- শ্রীপুরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
- শ্রীপুরে বজ্রপাতে দিনমজুরের মৃত্যু, আহত ১ নারী
শালিখায় নবগঙ্গা নদী থেকে সারা বছর ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে আসছে একটি চক্র। গঙ্গারামপুর বাজারের খেয়া ঘাটের ঠিক পূর্ব পাশে সারা বছর ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করে আসছে বালি খেকো নামে পরিচিত স্থানীয় কয়েকজন। এতে গঙ্গারামপুর বাজারসহ নদীর দু’পাশের কয়েক হাজার পরিবার হুমকির মুখে। যে কোনো সময় দোকানপাট ও বাড়িঘর ধসে নদীগর্ভে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বালি উত্তোলনকারিরা প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার কেউ সাহস পায় না কিছু বলার। মাঝে মাঝে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন দুই-একজনকে গ্রেফতার করলেও বালি উত্তোলনের কাজ থেমে নেই। বালিখেকোদের নাম জিজ্ঞাসা করলে প্রানহানীর ভয়ে নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীরা।
স্থানীয়রা জানান, গঙ্গারামপুর বাজারের খেয়াঘাটের ঠিক পূর্বপাশে সারা বছর ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করে আসছে বালি খেকো ওই চক্রটি। দিন-রাত ধরে নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন করে ট্রাকে ভরে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। বালী উত্তোলনের জায়গায় ছোট ঘর তৈরী করে নিয়েছে তারা। সেখানে বালি খোকোরা চা নাস্তা করে এবং তাস জুয়া খেলে আড্ডা মারে। নদীর পাড়ে ইতিমধ্যে বালি উত্তোলন করায় বড় বড় তিনটি পুকুর তৈরি হয়েছে। সেখানেই তারা গায়ের জোরে মাছ চাষ করে আসছে। নদীর মাছখানে পাইপ দিয়ে বালি উত্তোলন করায় নদীর ভিতরে সুড়ঙ্গপথ হয়ে চারপাশের বালি উপরে উঠতে থাকে ফলে অনেক দুর পর্যন্ত নদীর বালির স্তর ফাকা হয়ে গেছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, গঙ্গারামপুর বাজারের নদী সংলগ্ন প্রায় ৫ শতাধিক দোকান, একটি ঐতিহ্যবাহী হাইস্কুল, দুইটি কেজি স্কুল, একটি মোবাইল টাওয়ারসহ বড় বড় গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার অপেক্ষায়। সম্প্রতি কিছু প্রাচীন বড় বড় গাছ নদীর দিকে ঝুঁকে পড়েছে। বালিখেকোরা স্থানীয় কয়েকজন নেতার নাম ভাঙিয়ে এই অবৈধ ব্যবসা করছে। পাশেই পুলিশ ক্যাম্প থাকলেও তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয় না।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলী মিয়া বলেন, বহুবার নিষেধ করলেও তারা বালি উত্তোলন বন্ধ করেনি। যে ভাবেই হোক বন্ধ করতে হবে ।
এ ব্যাপারে স্থানীয় নহাটা তহসিল অফিসের কর্মকর্তারা বলেন, আমরা বিষয়টা জেনে তাদের নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা এখনো থামেনি। শুনেছি তাদের হাত অনেক লম্বা। তবে আমরা অতিসত্বর বিষয়টিতে পদক্ষেপ নেব। বালিখেকোদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।


