আজ মঙ্গলবার, জুন ২, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরি
- শ্রীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- শ্রীপুরে ধর্ষণ মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১
- শ্রীপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন
- সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ
- শ্রীপুরে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন
- শ্রীপুরে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
- শ্রীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নিহত
শালিখায় নবগঙ্গা নদী থেকে সারা বছর ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে আসছে একটি চক্র। গঙ্গারামপুর বাজারের খেয়া ঘাটের ঠিক পূর্ব পাশে সারা বছর ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করে আসছে বালি খেকো নামে পরিচিত স্থানীয় কয়েকজন। এতে গঙ্গারামপুর বাজারসহ নদীর দু’পাশের কয়েক হাজার পরিবার হুমকির মুখে। যে কোনো সময় দোকানপাট ও বাড়িঘর ধসে নদীগর্ভে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বালি উত্তোলনকারিরা প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার কেউ সাহস পায় না কিছু বলার। মাঝে মাঝে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন দুই-একজনকে গ্রেফতার করলেও বালি উত্তোলনের কাজ থেমে নেই। বালিখেকোদের নাম জিজ্ঞাসা করলে প্রানহানীর ভয়ে নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীরা।
স্থানীয়রা জানান, গঙ্গারামপুর বাজারের খেয়াঘাটের ঠিক পূর্বপাশে সারা বছর ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করে আসছে বালি খেকো ওই চক্রটি। দিন-রাত ধরে নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন করে ট্রাকে ভরে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। বালী উত্তোলনের জায়গায় ছোট ঘর তৈরী করে নিয়েছে তারা। সেখানে বালি খোকোরা চা নাস্তা করে এবং তাস জুয়া খেলে আড্ডা মারে। নদীর পাড়ে ইতিমধ্যে বালি উত্তোলন করায় বড় বড় তিনটি পুকুর তৈরি হয়েছে। সেখানেই তারা গায়ের জোরে মাছ চাষ করে আসছে। নদীর মাছখানে পাইপ দিয়ে বালি উত্তোলন করায় নদীর ভিতরে সুড়ঙ্গপথ হয়ে চারপাশের বালি উপরে উঠতে থাকে ফলে অনেক দুর পর্যন্ত নদীর বালির স্তর ফাকা হয়ে গেছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, গঙ্গারামপুর বাজারের নদী সংলগ্ন প্রায় ৫ শতাধিক দোকান, একটি ঐতিহ্যবাহী হাইস্কুল, দুইটি কেজি স্কুল, একটি মোবাইল টাওয়ারসহ বড় বড় গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার অপেক্ষায়। সম্প্রতি কিছু প্রাচীন বড় বড় গাছ নদীর দিকে ঝুঁকে পড়েছে। বালিখেকোরা স্থানীয় কয়েকজন নেতার নাম ভাঙিয়ে এই অবৈধ ব্যবসা করছে। পাশেই পুলিশ ক্যাম্প থাকলেও তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয় না।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলী মিয়া বলেন, বহুবার নিষেধ করলেও তারা বালি উত্তোলন বন্ধ করেনি। যে ভাবেই হোক বন্ধ করতে হবে ।
এ ব্যাপারে স্থানীয় নহাটা তহসিল অফিসের কর্মকর্তারা বলেন, আমরা বিষয়টা জেনে তাদের নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা এখনো থামেনি। শুনেছি তাদের হাত অনেক লম্বা। তবে আমরা অতিসত্বর বিষয়টিতে পদক্ষেপ নেব। বালিখেকোদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।


