মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
মাগুরার মহম্মদপুরে বাঁওড় বিল এখন পরিযায়ী পাখির আগমনে মুখরিত। উপজেলার ঘোপ বাঁওড় ও ইছামতির বিলসহ বিভিন্ন স্থানে ঝাঁকে ঝাঁকে নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এসেছে চলতি শীত মৌসুমে। এতে প্রকৃতি পেয়েছে নতুন মাত্রা। ভিনদেশি এসব পাখি দেখতে ভিড় করছেন উপজেলার বিভিন্ন বয়সী মানুষ। পাখির প্রতি মানুষের প্রেমে ঘাটতি না থাকলেও এক শ্রেণির শিকারি এর ব্যত্যয় ঘটায়। তাই অতিথি পাখি শিকার বন্ধে প্রশাসনের প্রতি আইনের কঠোর প্রয়োগ দাবি দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
ছয় ঋতুর বাংলাদেশে প্রতিটি ঋতুতেই রয়েছে ভিন্ন রূপ। শীত ঋতুর বিশেষত্ব পরিযায়ী পাখি। এর উপস্থিতি শীতের প্রকৃতিতে আনে নতুন মাত্রা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীত ও তুষারপাত থেকে বাঁচতে এসব পাখি হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিল, বাঁওড়, দিঘিতে আশ্রয় নেয়।
এ বছর শীতের শুরুতেই মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান এসব পাখির কলরবে মুখরিত। উপজেলার সদরের ঘোপ বাঁওড়সহ হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী ইছামতির বিলে অতিথি পাখির আগমন বেশি। ৩৬ হাজার হেক্টর আয়তনের বিলটি মধুমতি-নবগঙ্গা নদীর মাঝে মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ও পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নসহ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী, লাহুড়িয়া, নোয়াগ্রাম, জয়পুরহাট ও কালনা পর্যন্ত বিস্তৃত।
মহম্মদপুর সদর ঘোপ বাঁওড় ও ইছামতির বিলে দেখা যায় সারা রাত খাবার সংগ্রহ করার পর ভোরে নিজেদের তৈরি অস্থায়ী বাসস্থানে ক্লান্তি দূর করতে ছুটে চলে পরিযায়ী পাখির দল। আবার সন্ধ্যার আগেই দল বেঁধে ছুটে আসে বিল-বাঁওড় বা জলাশয়ে খাবারের সন্ধানে। এভাবেই চলে তাদের শীতের সময়। শীত শেষে আবার ফিরে যায় নিজ দেশে।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, শীত এলেই উপজেলার বিভিন্ন হাওর, বিল ও জলাশয়ে নানা প্রজাতির পাখি দেখতে পাওয়া যায়। এ পাখি প্রকৃতির সৌন্দর্য। এদেরকে শিকার করা যাবে না। পাখি শিকারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।
Like this:
Like Loading...