বিশেষ প্রতিবেদক-
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকিদাতা বিএনপি
নেতা রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সাইদ চাঁদকে আজ রবিবার
মাগুরা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রবিবার তাকে মাগুরা আদালতে
হাজির করলে তার পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন এবং তদন্ত কর্মকর্তা
৭দিনের রিম্যান্ডএর আবেদন করেন । বিঞ্জ আদালত সোমবার জামিন ও রিম্যান্ড শুনানীর
দিন ধার্য্য করেছেন। সকালে তাকে মাগুরা জেলা জজ আদালতে আনার পর নামানোর
সময় অপ্রিিতকর ঘটনা ঘটে। তাকে দেখে নানা শ্লোগান দেওয়া হয়। জুতা
ছোড়া হয়। তাকে লাঞ্জিত করার চেষ্টা করা হয়। এই সময় পুলিশের হামলাকারীদের
ধস্তাধস্তির সময় এক পুলিশ সদস্য আহত হয়। এরপর মামলার শুনানী শেষে কড়া পুলিশ
প্রহরায় তাকে মাগুরা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। শনিবার দুপুরে তাকে ফরিদপুর
কারাগার থেকে কড়া পুলিশ প্রহরায় মাগুরা কারাগারে আনা হয়। তার বিরুদ্ধে
৫০০/৫০১ পেনাল কোড তৎসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫/২৭/২৯
ধারায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের মাগুরা জেলা শাখার আহবায়ক ফজলুর রহমান
বাদী হয়ে ২৪ মে ২০২৩ তারিখে মামলাটি দায়ের করেন ।

মামলার বিবরনে প্রকাশ , আসামী রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক বিগত ১৯.৫.২০২৩ তারিখ অনুমান বিকাল ৩.৪০ ঘটিকায় থেকে
বিকাল ৫.১৮ পর্যন্ত রাজশাহী জেলা বিএনপি ও রাজশাাহী মহানগর বিএনপির
উদ্যোগে পুটিয়া থানাধীর শিবপুর উচ্চ্ধসঢ়; বিদ্যালয় মাঠে জনসভা অনুষ্ঠিত হয।
উক্ত সমাবেশে আসামী সভাপতিত্ব করেন। আসামী বিকাল ৩.৩০ মিনিটে বক্তব্য
দেওয়া শুরু করেন। বক্তব্য শুরুর প্রারম্বেই আসামী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ,
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সন্মানিত সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিার এমপির
বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে জনগনের সামনে উস্কানীমূলক এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রদান
করেন। আসামী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, আর ২৭ দফা , ১০ দফার মধ্যে আমরা নাই
, ১ দফা শেখ হাসিনাকে কবরাস্তে পাঠাতে হবে এবং শেথ হাসিনাকে পদত্যাগ
করার জন্য যা যা কারার দরকার আমরা তা করবো ইনশাল্লাহ । আমি সাক্ষীগন এদিন
অর্থাৎ ১৯.৫.২০২৩ তারিখ অনুমান সন্ধ্যা ৭ ঘটিাবার সময় বিভিন্ন
ইরেকট্রনিকস প্রচার মাধ্যম , অললাইন , পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মাধ্যমে তৎসহ
সমাজিক যোগাযোগ মাদ্যমে দেখতে পেয়ে মার্মাহত ও অপমানিত হই। আসামী উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে উক্তরুপ উস্কানীমূরখ বক্তব্য প্রদান করে এবং যাহা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করার ব্যবস্থা করিয়া ২০১৮ সালের
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিপন্থি কাজ করিয়াছে। আসামী এই বক্তব্যের
মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভ্যেমত্বের প্রতি সরাসরি হুমকি প্রদান করা
হযেছে । যেটা দেশদ্রোহিতার শামিল । এই মামলায় মামলায় সাক্ষী হিসাবে
রয়েছেন ৭জন।

