মাগুরানিউজ.কমঃ

জয় মিত্র – সবজি উৎপাদনে মাগুরার তারকাখ্যাতি নতুন কিছু নয়। মান নিয়ে সুখ্যাতি থাকায় বেড়েই চলেছে চাহিদা। চাষিরা লাভবান হওয়ায় সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে। প্রতিনিয়তই বাড়ছে সবজি চাষির সংখ্যা। প্রতিটি মাঠে রঙিন সবজির দিকে তাকালেই চোখ জুড়িয়ে যায়। আর এই সময়টাতে শীতের মোহনীয় রূপ পুরোটাই মেলে ধরে। পুরো মাঠটাই যেন রঙিন। বাংলার মানুষ রোজকার সবজির বাইরে শীতের তারকা সবজির জন্যই অপেক্ষা করে—স্বাদে-গন্ধে-রূপে এ সময়ের সবজির তুলনাই নেই।
বাঙালির খাবারে যেমন বৈচিত্র্যের অভাব নেই, তেমনি সবজিরও আছে নানা ধরন। শীতে সব ধরনই পাওয়া যায়। এক শিমের কথাই ধরা যাক। চ্যাপটা ও লম্বা দুই পদের শিম। চ্যাপটা শিম দৈর্ঘ্যে খাটো বিচি বড়; লম্বাগুলোর দৈর্ঘ্য বেশি, বিচি এর মুখ্য নয়।
মাসখানেক আগেও শীতের সবজির বাজারে যেন ছুটেছে আগুনের হলকা। দাম কিছুটা কমে এলেও আগুনের আঁচ আছে। শীত যত গড়াবে, দাম আরও কমবে। শীতের শেষে বা শীত পেরোলে এই সবজিগুলোর স্বাদও কমতে থাকবে।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহিদুল আমিন জানিয়েছেন, চলতি শীত মৌসুমে জেলায় সাড়ে ২৬৫০ হেক্টর জমিতে রকমারি সবজির চাষ হয়েছে। সবজির বাম্পার ফলন হওয়ার চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে।

