মোঃ মিরাজ শেখ, মহম্মদপুর-
মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের রুই-ফলোশিয়া গ্রামের এক অসহায় নারী লক্ষী রানী। জন্ম থেকে দুইটি পা পঙ্গু। বিয়ে হয়েছিলো কিন্তু পঙ্গুত্বের কারনের সংসার টেকেনি। বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যে স্বামী ফেলে রেখে চলে যায় লক্ষী রানীকে। তারপর কোন দিন খোজ নিতে আসে নাই লক্ষী রানীর। সম্বল বলতে লক্ষী রানীর রয়েছে রাত্রে ঘুমানোর জন্য ছেড়া একটি খেজুর পাতার পাটি, রান্নার চুলা, একটা হাড়ি আর একটি প্লেট, ফুটা পানির পাত্র। সঙ্গী বলতে একটি পোষা বিড়াল। একটু বৃষ্টি হলেই তার ঘরের ভিতরে থাকার উপায় থাকেনা। দিনে একবার খেয়ে কোনমতে বেঁচে আছে অসহায় লক্ষী রানী। স্বামী ছেড়ে যাওয়ার পর ২৫ বছর ধরে এভাবেই খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছেন লক্ষী রানী। কনোদিন পাননি সরকারি সহায়তা। নেই বিধবা ভাতার কার্ড বা বয়স্ক ভাতার কার্ড। প্রধানমন্ত্রির দেওয়া আশ্রায়ন প্রকল্পে লক্ষী রানী কি একটি ঘর পেতে পারে না? বিধবা ভাতার বা বয়স্ক ভাতার একটি কার্ড কি লক্ষী রানী পেতে পারে না? সমাজের বিত্তবানেরা কি লক্ষী রানীর জন্য কিছু করতে পারেন না?
Like this:
Like Loading...