মাগুরানিউজ.কমঃ
এক বছরের ব্যবধানে আরেকটি স্বপ্নের ফাইনালে আর্জেন্টিনা। আবার নতুন করে ২২ বছরের ক্ষত শুঁকানোর প্রতীক্ষা। সেই সাথে তীরে এসে তরী ডুবে যাওয়ার এক অজানা আশংকা। প্রতিপক্ষ প্রথমবারের মত শিরোপার স্বাদ নিতে যাওয়া চিলি।
২২ বছর ধরে ট্রফি ছাড়া থাকা। কি বিশ্বকাপ, কিংবা মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই কোপা আমেরিকায় বারবার স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট আর্জেন্টিনাকেই নিতে হয়েছে। শিরোপার অনেক কাছে গিয়েও দূর থাকতে হয়েছে।অনেকটা সময় মাঝ পথে হোঁচট খেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। সেই ১৯৯০ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে রেফারীর বিতর্কিত পেনাল্টি আর ম্যারাডোনাকে লাল কার্ড দেখানোর পর থেকেই ভাগ্য পুড়েছে আর্জেন্টিনার।
সাফল্য বলতে শুধু ১৯৯১ আর ৯৩ এর কোপা জয়। তারপর থেকেই ব্যর্থতা আর হৃদয় ভাঙ্গার ইতিহাস শুরু। ২০০৪, ২০০৭ এ কোপার ফাইনালে ব্রাজিল কিংবা ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে কপাল সবসময় আর্জেন্টিনারই পুড়েছে। ব্যর্থতা আর হতাশার জ্বালাও শুধুমাত্র আর্জেন্টিনা আর তাদের সমর্থকরা সয়ে গেছে।অথচ কোপায় দ্বিতীয় সেরা দল ১৪ টি মহাদেশীয় শিরোপা পাওয়া এই আর্জেন্টিনাই। ফাইনালে যদি আর্জেন্টিনা জিতে যায় তাহলে ১৫ শিরোপা নিয়ে যৌথ ভাবে উরুগুয়ের সাথে শ্রেষ্ঠত্বর অংশীদার হবে আর্জেন্টিনা। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা ! এরপরেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।
চিলির ভাগ্য আরো করুন, ৪ বার কোপার ফাইনালে গিয়েও রানার্সাপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। আজকের ফাইনাল তাই কোনো ভাবেই যুদ্ধ থেকে কম নয়। একদিকে যেমন আর্জেন্টিনার সাম্রাজ্য ফিরে পাওয়ার লড়াই তেমনি চিলির জন্যও লড়াই নতুন সাম্রাজ্য স্থাপনের।
শক্তির বিচার কিংবা পরিসংখ্যান সবই আর্জেন্টিনার পক্ষে। যাদের দলে আছেন লিওলেন মেসি তাদের আর চিন্তা কিসের। যার একক নৈপুণ্য আর্জেন্টিনাকে আবারও শিরোপার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। পেলে ম্যারাডোনার মত লিজেন্ডরা বিশ্বকাপ জিতলেও জিততে পারেনি মহাদেশীয় এই শিরোপাটি। আজ মেসির সামনে সেই রেকর্ড ভাঙ্গার সুযোগ।


