মাগুরানিউজ.কমঃ
শহর প্রতিনিধি-
মাগুরার মধুমিতা সিনেমা হল। চলছে সন্ধা সাড়ে ৬টার শো। নাচ, গানে ভরপুর সিনেমা। চলছে তো চলছেই। দর্শকদের টু-শব্দটি নেই। ভাবলাম ঘটনাটা কী? এমন সিনেমা আর একটা দর্শকও হাততালি দিল না, ………. দেখেও একটা শিস দেয় না কেন কেউ? ডানে বামে সামনে পেছনে চেয়ারগুলো দেখে বুঝলাম- এই শ্মশানে আসাটাই ভুল হইছে।
গোটা হলজুড়ে দর্শক মাত্র ৭ জন! এর চেয়ে তো মাগুরা শহরের মেস বাড়িতেও অনেক বেশি লোক একসঙ্গে বসে হিন্দি সিনেমা দেখে। আর সেটাই বা কেন বলছি, চায়ের গুলোতে রঙিন টিভিতে বাংলা সিনেমা চলে, ভরপুর দর্শক সেখানে।
ম্যানেজারকে না পেয়ে কর্মচারীর কাছে জানতে চাইলে বললেন, ‘ভাই কি আর কই। লোক নাই। নাইট শো হইলে আগে দেখতাম মানুষ টিকিট পাইতো না। এখন ৯ জনে শো-চলে। সবাই তো এখন ফোনেই সিনেমা দেখে।’এখন এসব কিছুই মিলছে চার পাঁচ ইঞ্চির পর্দায়।
তারপরও রাতের বেলা ছুটির দিনগুলোতে যারা সিনেমা দেখতে আসেন তারা মূলত কর্মজীবী খেটে খাওয়া মানুষ। নিম্ন আয়ের এ মানুষগুলো যা আয় করেন তা জমানোর পাশাপাশি কিছুটা বাঁচিয়ে সিনেমা হলে আসেন। আর দিনের বেলা যারা সিনেমা দেখতে আসেন তাদের অধিকাংশই ছাত্রছাত্রী। এ দিয়েই বেঁচে আছে দেশের সিনেমা হলগুলো।


