মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা শহরে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ‘মৌসুমী যন্ত্রণা’ শুরু হয়েছে। গ্রামে কাজের ক্ষেত্র কমে যাওয়া অথবা আরো বেশি উপার্জনের আশায় অনেকে শহরের পথ ধরেছেন। আবার প্রান্তিক চাষীরাও ঈদ মওসুমে আসেন দুটো কাঁচা টাকা বাড়তি উপার্জনের আশায়। আর শহরে এসে সহজে যে কাজটি তারা পান সেটি হলো রিকশা চালানো। অল্পসময়ে ভালো রোজগারের একমাত্র পথ রিকশা চালানো।
কিন্তু বাস্তবতা হলো ওই লোকটি জীবনেও রিকশা চালাননি। শহরের রাস্তাঘাট কিছুই ঠিকমতো চেনে না। এমনকি এরা পেশাদার রিকশাচালক না হওয়ায় রাস্তার ন্যূনতম নিয়ম-কানুনও জানে না। এই অনভিজ্ঞতার কারণে তারা রাস্তায় যেমন বাঁধাচ্ছেন বিপত্তি তেমনি যাত্রীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় যাত্রীকেই রাস্তা চিনিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু যাত্রী যখন নিজেই চেনেন না তার গন্তব্যের পথ, ভাড়াও জানেন না তখন ঘটে বিপদ।
এদিকে বোনাসের কথা বলে অনেক রিকশাচালক আদায় করছেন বাড়তি ভাড়া। তারা যাত্রীদের কাছে আবদার করে বলছেন, ভাই ঈদে ভাড়া একটু বাড়তি দিয়েন।
২০ টাকার ভাড়া বেড়ে ৫০ টাকা কোন কোন ক্ষেত্রে আরো বেশি। বাড়তি ভাড়া নেয়ার প্রসঙ্গে কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরাতো জোর করে টাকা নিই না। যারা দেন শুধু তাদের কাছে আবদার করি। অনেকে খুশিমনে দু-বিশ টাকা দেন।


