মাগুরানিউজ.কমঃ
সরকার ঘোষিত সময় অনুযায়ী বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের আর মাত্র ১ দিন বাকি। সে জন্য মাগুরা জেলা জুড়ে শেষ মুহূর্তে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে হিড়িক পড়েছে। ৩১ মে’র মধ্যে সব সিম নিবন্ধন করা না হলে সিম বন্ধ করে দেয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
শুধু মাত্র ফোন কোম্পানিগুলো সেবা দানকারী কেন্দ্র (কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে) নয়, এ ভিড় ছড়িয়ে পড়েছে পাড়ায়-মহল্লার রিটেইলারদের দোকানগুলোতে। মোবাইল সিম ও রিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনর্নিবন্ধন কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। লাইন ধরে সবাই নিজ নিজ মোবাইল সংযোগ নিবন্ধন করে নিচ্ছেন। এদিকে সিম নিবন্ধনের ভিড় সামলাতে বেশ সংখ্যক নতুন কর্মী এবং ভ্রাম্যমাণ নিবন্ধন সেন্টার খুলেছে গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল, টেলিটক এবং সিটিসেল কোম্পানি।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ তথ্যসূত্রে জানা যায়, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সিমকার্ড নিবন্ধন-পুনর্নিবন্ধনে অর্থ নিলে রিটেইলারশিপ বাতিল করা হবে। অথচ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম, রিটেইলাররা সিমকার্ড নিবন্ধন করতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত করে নিচ্ছে।
এনিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক রিটেইলাররা জানান, সহজেই অনেক গ্রাহকের আঙুলের ছাপ না মেলার কারণে সময় বেশি লাগছে। তাছাড়া কষ্ট করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে পুরো ফরমটি ফিলাপ করতে হচ্ছে। তাই তাদের সময় ও পরিশ্রমের নূন্যতম মজুরি হিসেবে প্রতিটি সিমকার্ড নিবন্ধনে ১০ থেকে ৩০ টাকা চার্জ নেয়া হচ্ছে বলে দাবী করেন তারা।


