মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘মাগুরানিউজ’ জানাচ্ছে ( এই বিষয় নিয়ে প্রকাশিত ও স্বীকৃত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে মাগুরা নিউজের তথ্য গবেষনা সেলের তৈরী এই প্রতিবেদন) এমন কিছু তথ্য যা জেনে আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন আরো বেশি জানুন জানা-অজানা আপনার প্রিয় মাগুরাকে। শেয়ার করে মাগুরার সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
২৩তম পর্ব-
ঐতিহাসিক শের-শাহ্ সড়ক-
ঐতিহাসিক শের-শাহ্ সড়ক। সুলতান শেরশাহ্ ক্ষমতায় থাকাকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে এই রাস্তাটি নির্মাণ করেছিলেন। রাস্তাটি ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ নামেও পরিচিত। রাস্তাটি ভারতের সিন্ধুনদ থেকে শুরু হয়ে যশোর শহরের পার্শ্ব দিয়ে বাঘারপাড়া থানার মধ্য দিয়ে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতপাড়া, শরুশুনা, দেশমুখপাড়া, বুনাগাতী গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের মধ্য দিয়ে নহাটা (মোহাম্মাদপুর উপজেলা ) হয়ে ফরিদপুরের মধ্য দিয়ে ঢাকার অদুরে সোনারগাঁও পযন্ত বিস্তৃত।
রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে তিন হাজার মাইল। ১৫৪১ থেকে ৪৫ সালের মাত্র পাঁচ বছরের শাসনামলে শের শাহ’র তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হয় ’সড়ক এ আজম’ যা ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ নামে পরিচিত।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, পথিকদের ছায়া দান করার জন্য রাস্তার দু-ধারে গাছ লাগানো হয়েছিল এবং পথিকদের পানি পানের সুবিধার্থে দুই ক্রোশ অন্তর একটি করে সরাইখানা স্থাপন করা হয়েছিল। এখনো মাগুরা শালিখা উপজেলার শরু শুনা, শতপাড়া, দেশমুখপাড়া, বুনাগাতী গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামের মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া শেরশাহ্ সড়কের দু’ধারে বড়-বড় গাছ-পালা দেখা যায়। আর সরাই খানাগুলো অবশ্য এখন সচল না থাকলেও সরাই খানাগুলোর ধ্বংসাবশেষগুলো আজ ও দৃশ্যমান।
কথিত আছে, এই রাস্তা দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে রাজা-বাদশাহ্ চলাচল করতেন।


