মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, মাগুরা নিউজ জানাচ্ছে এমন কিছু তথ্য যা জেনে আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন, আপনি বলবেন…….. ।
সাথে থাকুন আর জানুন জানা-অজানা আপনার মাগুরাকে। শেয়ার করে মাগুরার সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
১৬ তম পর্ব-
মাগুরা শহর দুটি অংশে বিভক্ত-
যশোরের জেলা প্রশাসক জে. ওয়েস্টল্যান্ড যিনি ১৭৮৯ সালে কর্মরত ছিলেন। তার লেখা ‘যশোর রিপোর্ট’ থেকে জানা যায় ১৯৪৫ সালের পূর্বেই মাগুরা দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। মহকুমা প্রশাসকের অফিসের পূর্ব দিকে পুরাতন বাজার এবং পশ্চিম দিকে দরি মাগুরা। এখনো মাগুরায় দুটি বাজার, নতুন বাজার বলে দরি মাগুরাকে এবং পুরাতন বাজার বলে মাগুরার পূর্বাংশকে।
মোঘল আমলে মাগুরা ছিল এক সময় নলডাঙ্গার জমিদারদের অধীন। পুরাতন বাজার এলাকায় বাজার ও হাট বসতো।
১৯৩৫ সালের দিকে নলডাঙ্গার জমিদাররা দরি মাগুরার বর্তমান স্থানে বাজারটা স্থানান্তর করেন এবং নাম দেন নতুন বাজার। এলাকাটা নিচু ছিল তাই পুকুর কেটে মাটি ভরাট করান হয়। সে খরচ তারা বহন করে।
ঐ রিপোর্টেই দেখা যায় মাগুরা অঞ্চলে তখন গুড় থেকে চিনি তৈরির কারখানা ছিল। পার্শ্বের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে পাটি তৈরি ও তেল ভাঙ্গান কুলু সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করতো। পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর অঞ্চলের মানুষ সরিষা বা তিষি এনে এখান থেকে ভাঙ্গিয়ে নিয়ে যেত বিক্রি করার জন্য।
-চলবে


