মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, মাগুরা নিউজ জানাচ্ছে এমন কিছু তথ্য যা জেনে আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন, আপনি বলবেন…….. । সাথে থাকুন আর জানুন জানা-অজানা আপনার মাগুরাকে। শেয়ার করে সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
দশম পর্ব-
‘তংকা ও কড়ি দিয়ে বেচাকেনা’।
ঐতিহাসিক তথ্য মতে গুপ্ত শাসনামলের শেষভাগে টাকার পরিবর্তে কড়ির প্রচলন হয়েছিল। কড়ি দিয়ে বেচাকেনা হত। ব্যবসায়ীরা এই কড়ি মাটির পাত্রে রাখত। চোর ডাকাতের ভয়ে অনেক সময় মাটিতে পুতে রাখত এবং বিভিন্ন কারণে হয়ত এই কড়ি আর মাটি থেকে তোলা হয়নি ফলে তা মাটির নিচে থেকে যায়।
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুকুর বা কুপ খননকালে মাটির নিচে মাটির পাত্রে রক্ষিত কড়ি পাওয়া গেছে। এই কড়িগুলো অনেক অনেক বছরের পুরানো বলে ধারণা করা যায়।
আব্দুল করিম বলেছেন, “ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহার হইত, এই মুদ্রাগুলিকে তংকা (বা টাকা) বলা হইত এবং ওজন ছিল তিন ক্যান্ডারীন (চীনা আউন্সের আট শতাংশ)। তংকার পরিধি ছিল দেড় ইঞ্চি এবং ইহার দুই পিঠেই লেখা থাকত। নির্দিষ্ট ওজন অনুসারে জিনিসপত্রের দাম নির্ধারণ করা হইত। কেনা বেচার সময় কড়ি ব্যবহার হতো, এক তংকার সঙ্গে ১০,৫২০টি কড়ি বিনিময় হইত।
চলবে-


