মাগুরানিউজ.কম:
বোল্ট মানেই অ্যাথলেটিক্সের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। মাইকেল জনসন, কার্ল লুইস, মরিস গ্রিনদের চেয়েও বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্প্রিন্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন উসাইন বোল্ট। বিশেষ করে ২০০৮ অলিম্পিক থেকে যেখানেই নেমেছেন, সেখানেই তার পদতলে এসে লুটোপুটি খেয়েছে স্বর্ণ পদক। এ নিয়ে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেই জিতেছেন মোট ১০টি স্বর্ণপদক। একজন অ্যাথলেটের ক্যারিয়ারে যা রীতিমত স্বপ্ন।
২০১১ দায়েগু বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ১০০ মিটারে যদি ফলস স্টার্টের জন্য বোল্ট ডিসকোয়ালিফাইড না হয়ে যেতেন, তবে কোন খুঁতই থাকতো না তার অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে। কিন্তু চাঁদের গায়ে যেমন কলঙ্কের দাগ রয়েছে, তেমনি বোল্টের ক্যরিয়ারেও এটা একটা কলঙ্কের দাগ হিসেবেই থেকে যাবে।
বিশ্ব অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে বোল্টের স্বর্ণ সংখ্যা এখন মোট ১০টি। এ যেন রীতিমত সোনার খনি। যেখানেই হাত দেন সেখান থেকেই তুলে আনেন সোনা। অলিম্পিকসহ মোট ১৯টি সোনার পদক ঝুলছে এখন বোল্টের গলায়। ২০১১‘র ওই দুর্ঘটনা না ঘটলে ২০টি সোনার মালিক হয়ে যেতেন তিনি।
তবে এই চ্যাম্পিয়নশিপেই সুযোগ রয়েছে ২০টি স্বর্ণের মালিক হয়ে যাওয়ার। বেইজিংয়েই এই চ্যাম্পিয়নশিপেই ১০০ মিটার রিলেতে অংশ নেবেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যা ৭.১০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে এই ইভেন্টের ফাইনাল। এখান থেকেও যে স্বর্ণ জিতবেন বোল্ট, তাতে সন্দেহ নেই।
২০০ মিটারে স্বর্ণ জয়ের পর বোল্ট তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বললেন, ‘এর অর্থ আমার জন্য অনেক কিছু। আমি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ১০বারের চ্যাম্পিয়ন। এটা অবশ্যই একজন অ্যাথলেটের জীবনে অনেক বড় পাওয়া। আমি খুব খুশি। বিশেষ করে লোকে যখন বলাবলি করছিল, আমি হেরে যেতে পারি।’
নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে বোল্ট বলেন, ‘আমি ছিলাম খুবই আত্মবিশ্বাসী। এমনকি আমার কোচও গ্লেন মিলসের কোন সন্দেহই ছিল না আমার চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের ব্যাপারে। তিনি সব সময়ই বলতেন, এটা আমি পারবই। তিনি জানতেন, কিভাবে আমাকে প্রস্তুত করে তুলতে হবে। সেভাবেই অনুশীলন করে গেছি আমি।’ বিবিসি অবলম্বনে।


