৩৫টি ভুল বৈজ্ঞানিক তথ্য যা আমাদের কাছে সঠিক!

মাগুরানিউজ.কমঃ 


এখানে ৩৫টি বৈজ্ঞানিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে যা কিনা আমরা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বাস করে আসছি। কিন্তু এখন সত্য তথ্য জানার সময় হয়েছে। এসব তথ্যকে রীতিমতো বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য হিসেবে জেনে আসছি আমরা এবং অনেকে। এখানে জেনে নিন সেই ৩৫টি তথ্য যা আসলে ভুল।

tech১. শনি গ্রহের চারদিকে যে বলয় দেখা যায় তা নিরেট বস্তু নয়। এটি অসংখ্য বালু, পাথর ও আস্তরে তৈরি হয়েছে যারা পৃথকভাবে অবস্থান করছে।

২. স্কুলে শিখেছেন, পদার্থের অবস্থা কঠিন, তরল ও বায়বীয়- এই প্রকারের হয়। কিন্তু আসলে পদার্থ চার প্রকারের। চতুর্থটি হলো প্লাজমা যা প্রতিদিনই দেখছেন।

৩. ভাজা মাংসে আর্দ্রতা থাকে না। আর্দ্রতা দূর করতেই এ কাজ করা হয়।

৪. ‘দ্য কোর’ সিনেমায় দেখানো হয়েছে পৃথিবীর কেন্দ্র গলিত পদার্থে পূর্ণ। আসলে সেখানে প্রায় ৭০০ মিটার ডায়ামিটারের এলাকাজুড়ে নিকেল এবং আইরনের ঘন আস্তরণ রয়েছে।

৫. হিংস্র তিমিরা অনেকটা ডলফিনের মতো দেখতে।

৬. মধ্যাকর্ষণ শক্তি মানেই নিচের দিকে পতিত হওয়া নয়। এটি সব দিক থেকেই টানে।

৭. মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (এমএসজি) এক ধরনের সুগন্ধ বৃদ্ধিকারী উপাদান যা সহজে হজম হয়। কিন্তু এটা আসলে চাইনিজ রেস্টুরেন্টের কারসাজি যার ফলে গলায় অসাড়তা এবং দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

৮. সুস্বাদু ক্রিম দেওয়া স্পঞ্জের মতো কেক বহুদিন ভালো থাকে বলে সিনেমায় দেখানো হলেও আসলে তা ৪৫ দিন পর্যন্ত টেকে।

৯. পুরনো আমলে নাবিকরা নর্থ স্টার, পোলারিস দেখে দিক নির্ণয় করতেন। কারণ তারা আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা এবং রাতের আকাশে স্পষ্ট দেখা যায়। কিন্তু আকাশের উজ্জ্বল তারকার তালিকায় এরা প্রথম দশের মধ্যে নেই।

১০. বাসা-বাড়িতে যে মাছি দেখা যায় তা ২৪ ঘণ্টা বাঁচে। কাজেই এর পরই তারা মরে যাবে, তাই মারার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরা এক মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

১১. কুকুরদের জীবনের এক বছর মানুষের জীবনের ৭ বছরের সমান নয়। কুকুররা প্রথম দুই বছরেই বড় হয়ে যায়। বাকি সময় নির্ভর করে তারা কীভাবে বংশ বৃদ্ধি করছে তার ওপর। কিন্তু কুকুরের ক্ষেত্রে এক বছর মানুষের ক্ষেত্রে ১৪ বছরের সমান।

১২. টাকিলা এবং মেজকেল তৈরিতে মথ পোকা ব্যবহার করা হয় না। তবে কিছু টাকিলা আগাভ উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয় যার তলানিতে মত পোকা তৈরি হয়।

১৩. সাইলেন্সারের মাধ্যমে বন্দুকের আওয়াজকে ফিসফিসানিতে পরিণত করা যায় না। বরং এর দ্বারা যে আওয়াজে রূপান্তরিত করা যায় তা একটি পুলিশ সাইরেনের আওয়াজের সমান।

১৪. বাদুড়ের মতো অন্ধ হওয়া মানে পুরো অন্ধত্ব নয়। সব বাদুড় দেখতে পায়।

১৫. ব্ল্যাক হোল আসলে রংয়ের দিক থেকে কালো নয়। একে দূর থেকে কালো দেখা যায়।

১৬. টি-রেক্স ডাইনোসার তাদের সামনের ছোট দুটি হাত ব্যবহার করতো না বলে মনে করা হয়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানান, এই হাত দুটো মিলিত হওয়ার সময় ব্যবহার করা হতো।

১৭. সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি গ্রহ হলেও মার্কারি সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ নয়। আমাদের সৌর জগতে ভেনাস সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।

১৮. আলবার্ট আইনস্টাইন নাকি স্কুলে গণিতে ফেল করেছিলেন, এ কথা সবাই জানেন। অথচ তিনি নিজেই বলেছিলেন, ১৫ বছর বয়সের আগেই আমি ডিফারেন্সিয়াল এবং ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাস বুঝতাম।

১৯. ঘুমের ভেতর যারা হাঁটেন তাদের নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ তারা ঘুমের মধ্যেই নিরাপদে হাঁটেন।

২০. অস্ট্রিচ ভয় পেলে বালিতে মাথা ঢোকায় না। আসলে হুমকির মুখে তারা মাটিতে পড়ে গিয়ে মৃতের মতো অভিনয় করে।

২১. সিনেমায় মহাকাশে যে বিস্ফোরণ দেখানো হয় তা অসম্ভব। কারণ আগুন জ্বলতে প্রয়োজন অক্সিজেন। আর মহাকাশে অক্সিজেন নেই।

২২. স্বর্ণকেশী এবং লাল চুলের মানুষরা কখনো পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে না। কারণ, এটি জিনগত বিষয়। আর জিন কখনো ফুরিয়ে যায় না। এটি বংশ পরস্পরায় মানুষ বহন করে চলে।

২৩. আপনার গাড়ি বিদ্যুতায়িত হলে চাকা চারটি বিদ্যুৎ মাটিতে নিয়ে যায় না। বরং গাড়ির ধাতব কাঠামো বিদ্যুৎ মাটিতে পাঠিয়ে দেয়।

২৪. সেলিয়াক ডিজিস রয়েছে যাদের তাদের দেহে গ্লুটেন কোনো কাজ করে না।

২৫. সূর্য চার বিলিয়ন বছরের মধ্যে তার জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছাবে। জীবনাবসানের সময় সূর্য বিস্ফোরিত হবে না।

২৬. সূর্যমুখী ফুল আসলে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে না। গোটা দিনে সূর্যের অবস্থান বদলাতে থাকে। ফুল একদিকে মুখ করে থাকলেও এদের কুঁড়ি ফোটার জন্য সূর্যকে অনুসরণ করে।

২৭. ড্যাডি লংলেগস মাকড়সা পৃথিবীর কয়েকটি বিষাক্ত মাকড়সার মধ্যে একটি। কিন্তু এদের বিষ মানুধের ত্বকে সামান্য জ্বালাপোড়া করে কয়েক সেকেন্ড। তারপর চলে যায়।

২৮. ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের ভাইরাস কোনো সামান্য ভাইরাস নয়। কারণ দশটি ভয়ংকর ভাইরাসের মধ্যে ম্যাক ভাইরাস একটি।

২৯. ট্রুথ সেরাম আসলে সত্য বের করে আনে না। বরং এটি মাতালদের মতো অবস্থা তৈরি করে যার ফলে মানুষ মুখ ফসকে সত্য কথা বলে ফেলে।

৩০. মানুষ তার মস্তিষ্কের ১০ শতাংশ ব্যবহার করে না। বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন সময় গোটা মস্তিষ্ক ব্যবহৃত হয়। মস্তিষ্কের ৯০ শতাংশ অকার্যকর হয়ে গেলে মানুষ মারা যাবে।

৩১. ইচ্ছামতো ভিটামিন সি খেয়ে তা হজম করা সহজ নয়। বড়রা দিনে ২ হাজার মিলিগ্রামের বেশি ভিটামিন সি খেলে ডায়রিয়া, বমি, মাথাব্যথা হতে পারে।

৩২. রেডিয়েশন অধিকাংশ সময় নিউক্লিয়ার রেডিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত। ওভেনের রেডিয়েশন বা লাইটের রেডিয়েশনও ক্ষতিকর।

৩৩. পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তন হয় অক্ষপথের গতির সমস্যার কারণে, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের কারণে নয়।

৩৪. অ্যালকোহল মস্তিষ্কের কোষ মেরে ফেলে না, অন্তত অল্প সময়ে নয়। বহু দিন ধরে এর একটি প্রভাব তৈরি হয় তা নিউরোলজিক্যাল ড্যামেজ ঘটাতে পারে।

৩৫. হাতের আঙ্গুল ফোটানোয় আরথ্রাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বরং পাশের মানুষের বিরক্তির কারণ হতে পারে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
%d bloggers like this: