মাগুরানিউজ.কমঃ
প্রেমিকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেওয়ার শর্তে বিয়ে বন্ধে রাজী হয়েছে এক স্কুল পড়ুয়া কনে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই শর্ত দেয় নবম শ্রেণির রিয়া (১৫)।মাগুরা পৌরসভার নান্দুয়ালী এলাকায় সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন্ধ করা হয় রিয়ার বাল্য বিয়ের আয়োজন।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে মাগুরা শহরের নান্দুয়ালী এলাকায় একটি বাল্য বিয়ে আয়োজনের খবর পান মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক। তিনি নান্দুয়ালী গ্রামের গোলাম মোস্তফার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান পার্শ্ববর্তী গোলাম রসুলের কিশোরী মেয়ে রিয়া বিয়ের দাবিতে ওই বাড়িতে অবস্থান করছে।
রিয়া ওই গ্রামের এএন সম্মিলনী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।মোস্তফার বিদেশ ফেরত ছেলে ইমরানের (২১) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করে রিয়া। তার ফোন পেয়েই সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসে বলে স্বীকার করে ইমরান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পৌর চেয়ারম্যান ইকবাল আকতার খান কাফুর, স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর সাবানা বেগমসহ স্থানীয় লোকজন সেখানে উপস্থিত হন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে রিয়াকে তার ১৮ বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না করার জন্য বোঝানো হয়। একপর্যায়ে রিয়া বিয়ে না করতে রাজী হলেও ইমরানের সঙ্গে তাকে নিয়মিত মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেয়ার আবদার জানায়।
পরবর্তীতে রিয়ার কথামতো মোবাইলে কথা বলতে দেওয়ার শর্তে তাকে তার বাবার বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।এ জুটিকে দেখতে তাদের বাড়িতে ভিড় জমেছে।

