মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা যখন বিদেশে দলগুলোকে খেলতে দেখি তখন দেখা যায় একটা খোলা মাঠে,কোন বাউন্ডারি বিহীন জায়গাতে আন্তজাতিক মানের খেলা হচ্ছে। হরহামেশা ইংল্যান্ডও দেখা মেলে,ভারতেও আছে,আছে শ্রীলংকাতে । যেখানে খেলা হয় তার আশেপাশে সমুদ্র আছে এমন ও চোখে পড়েছে নিশ্চয় । ওখান থেকে খেলোয়াররা থাকার জন্য ৫০/৭০ কি:মি: দূরে গিয়ে থেকেছে কোন ভালো হোটেলে ।
তাহলে মাগুরাতে এখন ভালো মানের হোটেল না থাকলেও সমস্যা কেটে যাবে, তখনই হোটেল হবে বা এধরনের আন্তর্জাতিক মানের কিছু যখন সেখানে সেরকম কিছু ঘটবে। কিন্তু যে ষ্টেডিয়ামটি আছে তার আশেপাশে প্রচুর জায়গা আছে যা অন্তত যশোর/বগুরা/খুলনা থেকে কম নয় । আর যোগাযোগ ব্যাবস্থা বললে,বলবো আমাদের মাগুরা জেলা এমন একটি ভালো জায়গাতে যে,দক্ষিন অঞ্চলের অনেক জেলাতে যেতে হলে আমাদের ভায়না মোড় দিয়ে যেতে হয় । আমরা মধ্যবতি জায়গাতে অবস্থান করছি । যশোরে বিমানে আসলে মাগুরাতে বাই রোডে আসতে ৩০/৪০ মি: বেশী লাগার কথা নয় ।
আর্ন্তজাতিক ষ্টেডিয়াম মানে এই নয় যে সেখানে আন্তর্জাতিক হোটেল,একটি বিমান বন্দর থাকবে,যেখানে বিশ্বকাপ খেলা হয় তার অনেক জায়গাতে(ভেন্যূ) কিন্তু খেলার জন্য কিছু প্রস্তুতি নেওয়া ছাড়া আর কিছু করা হয় না । একটি আন্তর্জাতিক ভেন্যূ হলে সেখানে স্বভাবতই ব্যাবসায়ীরা এরকম অনেক উদ্যেগ গ্রহন করে । এর জন্য মাগুরাকে শিল্প নগরী করা ও লাগে না কিংবা বিমান বন্দর /হোটেল । বিভিন্ন দেশগুলোতে (অনেক ভেন্যূতে )ম্যাচগুলো এর উদাহরণ ।
ব্যাপারটি বেশী ঘাটা লাগবে না । পাশের দেশ ভারতে যে এমন এমন কিছু ভেন্যূ আছে যেখানে খোলা মাঠ । আর সাকিব আল হাসানের মাগুরার এরকম দাবীর ব্যাপারে অবশ্যই কিছু ক্ষমতা আছে,সেই ক্ষমতা এটাই যে মাগুরাতেআন্তর্জাতিক মানের খেলোয়ার আছে এবং আরো তৈরী হচ্ছে । এই বাতা একমাত্র সাকিব ই দিতে পারেন । এবং সেটি হবে গ্রহনযোগ্য ।
একটি উদ্যোগ নিলেই যে সব কিছু প্রথম থেকেই থাকবে এরকমটি নিশ্চয় ফতুল্লাতে আজ ও নেই বা হয়নি । তাহলে ফতুল্লা তো একটি ভেন্যূ হয়ে গেছে আগেই । সুযোগ তখনই তৈরী হবে যেদিন আপনি জানবেন মাগুরা ষ্টেডিয়ামে আর্ন্তজাতিক ম্যাচ হবে,তখন অনেকে বিনিয়োগ করবে,হোটেল হবে,ভালো দোকান পাট হবে,হবে আরো অনেক কিছূ,মনে রাখা ভালো যে আমাদের অবস্থান দক্ষিনা অঞ্চলে খুব গুরুত্ব পূন জায়গাতে,তাই যোগাযোগ ব্যবস্থা কেমন তা বোধকরি বলাই বাহুল্য । শ্রীলংকায় কয়েকটি আন্তজাতিক ভেন্যূ বলা যায় যেখানে কোন আন্তর্জাতিক হোটেল তো দূরের কথা এখানে কোন বিমান বন্দর ও নেই,
“মরাটোয়া” Tyronne Fernando Stadium এটি কলোম্ব থেকে ২৩ কি;মি দূরে এটির তিনপাশে সাগর,এই খেলার মাঠটির ধারন ক্ষমতা মাত্র ১৬০০০ হাজার,এখানে টেষ্ট হয়েছে ৪ টি একদিনের ম্যাচ ৬ টি, “কুরুনিগালা” Welagedara Stadium আর একটি পশ্চাত ভেন্যূ বলা যায়,চারপাশে পাহাড় বেষ্টিত । কলোম্ব থেকে প্রায় ১০০ কি:মি দূরে,Kandy Asgiriya Stadium Capacity: 10,000, Test matches: 21, ODI matches: 6,
আসলে এরকম উদাহরন দেয়ার ইচ্ছা ছিলো না,তুলে ধরা যায় এরকম অনেক,মূলত বিষয় হচ্ছে, মাগুরার ষ্টেডিয়ামটির চারপাশে অনেক জায়গা পড়ে আছে,অবস্থানগত দিক দিয়ে ভালো অবস্থানে ( মহাসড়কের পাশে ) ভায়না মোড় দিয়ে যদি বেশ কটি জেলোতে যাওয়া যাচ্ছে তাহলে সেসব জেলা থেকে মাগুরা খেলতে আসা দোষের কি হবে ? মাগুরাতে ক্রিকেটের একটি ইতিহাস হচ্ছে আমাদের সাকিব । তাঁর কথা যেভাবে গ্রহনযোগ্যতা পাবে, বোধকরি মাগুরার কোন ক্ষমতাসীন কারো কথা ও মূল্যায়ন পাবে না এরকম দাবীর পক্ষে,কারন সে ক্রিকেটার । নীজ জেলা কে এগিয়ে রাখুন সবসময়,কিছু নেই বলে হা হুতাশ আর এভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম কেটে যাওয়া নিশ্চয় ভালো কিছু নয় । হাত গুটিযে বসে না থেকে মাগুরাকে সমৃদ্ধ করতে নিশ্চয় আপনি আমাদের এই উদ্দোগকে খাটো করে দেখবেন না ।
কিছু নেই,হতে কতক্ষন ? মাগুরা নিউজের সাথে থাকুন, মাগুরার সাথে থাকুন।
আত্ববিশ্বাস রাখুন নিজের জেলার প্রতি, সফল আমরা হবোই ।




