মাগুরানিউজ.কমঃ
অন্য ফ্রিল্যান্সারদের জীবন বদলের গল্প শুনে এ কাজে নেমেছেন তারা। নিজের আগ্রহকে পুঁজি করে যে পথচলা শুরু করেছিলেন এক সময়, তা বদলে দিয়েছে তাদের জীবনও। দেশের অনিশ্চিত সময়েও নিজের আর্থিক ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা তৈরি করেছেন স্বউদ্যোগে। নিজে স্বাবলম্বী হয়েছেন। অন্যদেরও কাজের ক্ষেত্র তৈরি করেছেন। নিজের ভুবনে সেরা এসব ফ্রিল্যান্সারদের এবারও পুরস্কৃত করেছে বেসিস।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব স্বউদ্যোমী তরুণদের মধ্য থেকে জেলাওয়ারি সেরা ফ্রিল্যান্সারদের খুঁজে বের করেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় সংগঠনট বেসিস। তাদের অনুপ্রাণিত করতে দেওয়া হয়েছে ‘বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড’।দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এটিই সর্বোচ্চ সন্মানজনক পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত। সফল ফ্রিল্যান্সারদের সন্মানিত করার পাশাপাশি এ পেশাকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ২০১১ সাল থেকে দিয়ে আসছে এ পুরস্কার।
মেহেদী,মাগুরার সেরা এ ফ্রিল্যান্সার। বর্তমানে গ্রাফিকপিপল নামের একটি কোম্পানিতে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে চাকরি করছেন। উচ্চতর পড়াশোনার প্রথম ভাগে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (সিএসই) ভর্তি হন। দু’বছর পর ক্রেডিট ট্রান্সফার করে মালয়েশিয়া যান। সেখানে এক বছর থেকে আবার ঢাকায় এসে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন।
২০০৭ সালে অনার্স শেষে পরের বছরে দুটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। এরপর বর্তমান কোম্পানিতে যোগ দেন।
সিএসইর শিক্ষার্থী হওয়ায় চাকরির পাশাপাশি ওয়েবের কাজ শুরু করেন। তখন পরিচিত এক বড় ভাইয়ের কাজ করে দিয়ে দুই হাজার টাকা পান। এখান থেকেই শুরু তার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের।
দিনে চাকরি শেষে রাতে প্রতিদিন ৪ ঘন্টা করে ফ্রিল্যান্সিং করেন। ইল্যান্সে প্রায় সাড়ে তিন’শ ঘন্টা কাজ করেছেন।
মার্কেটপ্লেসে মূলত এইচটিএমএল৫, সিএসএস৩, জেকুয়েরি, জুমলা টেমপ্লেট ও ওয়ার্ডপ্রেস থিম নিয়ে কাজ করেন। ব্যক্তিগতভাবে কাজ করে মাসে লাখ টাকা আয় করছেন।
আগামীতে কিছু দক্ষ লোক নিয়ে মাগুরাতে নিজের একটি কোম্পানি দেওয়ার ইচ্ছা মেহেদীর।


