মাগুরানিউজ.কমঃ
‘ধুমপান বিষপান’ এই কথাটি আমাদের সবার জানা।তারপরও বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে এমনকি শহরেও অসংখ্য সাধারণ জনগন এখন এই ধুমপানের সাথে জড়িত। এক সময় ছিল গ্রাম বাংলার মানুষরা বিড়ি-সিগারেট দেখতো না। তখন তাদের ধুমপানের একমাত্র সম্বল ছিল নারিকেল, কাঠ ও মাটির তৈরি কলকি দ্বার নির্মিত হুক্কা। হুক্কা সেবনে প্রয়োজন হতো তামাক ও টিক্কা।
মাগুরার বিভিন্ন গ্রামে এই হুক্কা ছিল ধুমপানের এক মাত্র মাধ্যম। বিভিন্ন মেল-মজলিসে আপ্যায়নের প্রধান ছিল এই হুক্কা। হুক্কা ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম জানান, আমার বাবা আবদুল হামিদ হুক্কা ব্যবসা করে তার জীবন কাটিয়ে দিয়েছে। আমিও আমার বাবার মতো হুক্কা ব্যবসা করে জীবন কাটিয়ে দিতে চাই। প্রতি হুক্কা ৮০-১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। কিন্তু হুক্কা তৈরির উপকরণ চাহিদা অনুযায়ী না পাওয়ায় হুক্কা তৈরিতে অধিক টাকা ব্যয় হয়। তাই আগের মতো লাভ হয় না। যেখানে প্রতি বাজারে ১০০-১৫০ পিছ হুক্কা বিক্রি হতো সেখানে আজ ০৫-১০ পিছ হুক্কা বিক্রি হচ্ছে। এতে করে এই পেশায় নিয়োজিত অনেক ব্যবসায়ী তাদের পৈত্রিক পেশা বাদ দিয়ে অন্যান্য ব্যবসা করছে। হুক্কা ব্যবসায়ীরা মনে করছে, তামাকের দাম বাড়াতে এবং বিড়ি, সিগারেটের কারণে এই হুক্কা ব্যবসায় এত বড় ধস নেমেছে।


