মাগুরানিউজ.কমঃ

আজ আর ১৬ রান করতে পারলেই হাবিবুল বাশারকে টপকে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টের সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে যেতে পারতেন আগের দিনে ৩২ রানে অপরাজিত তামিম। পারেননি। আগের দিনের সঙ্গে ১০ রান যোগ করে ইমরান খানের বাইরের বল চালাতে গিয়ে ফিরেছেন ৪২ রানে।
তামিম ব্যর্থ হয়েছেন। তবে আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুমিনুল করেছেন নিজের এক নতুন রেকর্ড। ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট ফিফটি তুলে রেকর্ডের খাতায় নতুন করে নাম লেখালেন ধারাবাহিকতার প্রতিচ্ছবি মুমিনুল।
খুলনা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৮০ রানের পরই দারুণ এক কীর্তি গড়েছিলেন। টানা ১০ টেস্টে পঞ্চাশের বেশি ইনিংস খেলে নাম লিখিয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকার ও ইংলিশ ক্রিকেটার জন এডরিচের পাশে। আজ আবারও পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে ছাড়িয়ে গেলেন টেন্ডুলকার-এডরিচকেও।
টানা ১১ টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলে মুমিনুল এখন বীরেন্দর শেবাগ, গৌতম গম্ভীর ও ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ভিভ রিচার্ডসের পাশে। মুমিনুলের সামনে কেবল বাকি এবি ডি ভিলিয়ার্স। সবচেয়ে বেশি টানা ১২ টেস্টে পঞ্চাশের বেশি ইনিংস খেলার রেকর্ড ডি ভিলিয়ার্সের। নিঃসন্দেহে সেটিও এখন হুমকির মুখে।
অবশ্য মুমিনুল খানিকটা আফসোস করতে পারেন বছর তিনেক আগের হারারে টেস্ট নিয়ে। তাঁর ক্যারিয়ারের ১৪ টেস্টের মধ্যে শুধু একটি ম্যাচেই কোনো সেঞ্চুরি বা ফিফটি পাননি। সেটা ওই হারারে টেস্টেই। ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ইনিংসে করেছিলেন ২৩ ও ২৯। এর যেকোনো একটি ফিফটিতে পরিণত হলেই আজ ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়িয়ে টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টানা ১৩ ম্যাচে পঞ্চাশের বেশি ইনিংস খেলার রেকর্ড হয়ে যেত মুমিনুলের। অবশ্য সুযোগ এখনো আছে সামনে।
ঢাকা টেস্টের এখন যে বিন্দুতে দাঁড়িয়ে, তাতে বাংলাদেশের জন্য একরাশ হতাশা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। ১২৬ রানেই ফিরে গেছেন টপ অর্ডারের ৫ ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে গিয়েছে ৫ উইকেটে ১৩৪ রান তুলে। এ সেশনে ৭১ রান তুলতে হারিয়েছে ৪ উইকেট।
হতাশার মধ্যে যা একটু আশার আলো ছড়িয়েছেন ওই মুমিনুল। অপরাজিত আছেন ৫৯ রানে। ছোট্ট কাঁধে দলকে কতটুকু টেনে নিতে পারেন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
মুমিনুলের সর্বশেষ ১১ টেস্ট
১৮১, ২২* – বনাম নিউজিল্যান্ড
৪৭, ১২৬* – বনাম নিউজিল্যান্ড
৮, ৫০ – বনাম শ্রীলঙ্কা
১৩, ১০০* – বনাম শ্রীলঙ্কা
৫১, ১২ – বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৩, ৫৬ – বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৫৩, ০ – বনাম জিম্বাবুয়ে
৩৫, ৫৪ – বনাম জিম্বাবুয়ে
৪৮, ১৩১* – বনাম জিম্বাবুয়ে
৮০, ২১ – বনাম পাকিস্তান
১৩, ৫৯* – বনাম পাকিস্তান

