মাগুরানিউজ.কমঃ
চলতি বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন আভাস দিয়েছিল ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা আইসিসি। আগামী ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট হবে ১০ দলের অংশগ্রহণে। এমন সিদ্ধান্তের পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। ভারতের ক্রিকেট লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকারসহ অনেকেই বিরোধিতা করেন এমন সিদ্ধান্তের। তাদের মতে, এতে ক্রিকেটের বিশ্বায়ন ঠিকমতো হবে না, বরং সংকুচিত হবে এর পরিধি।
তবে আইসিসি হাঁটছে তাদের ধারাতেই। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন আবারো জোর দিয়েই বলেছেন, আগামী বিশ্বকাপে ছেটে ফেলা হবে কয়েকটি দল। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপটি হতে পারে ১০ দলের।
আইসিসির সহযোগী দেশগুলো বিশ্বকাপে ভালোই আলোড়ন তোলে। এর মধ্যে আয়ারল্যান্ডের কথা বিশেষভাবেই বলতে হয়। তাছাড়া স্কটল্যান্ড, আফগানিস্তানের মতো দেশও মাঝে মধ্যে বড়দলগুলোকে কাঁপিয়ে দেয়। সে ক্ষেত্রে ১০ দলের বিশ্বকাপ হলে সহযোগী দেশগুলো খেলতেই পারবে না বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে। র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা দলগুলোকেও আসতে হবে বাছাই পর্ব খেলে।
ডেভিড রিচার্ডসন বলেছেন, ‘আগের সিদ্ধান্তেই আমরা স্থির আছি। আগামী বিশ্বকাপ ১০ দলেরই হবে।’ তবে তিনি এও বলেছেন, এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নয়। সামনের বছর এটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। আশা করি তেমন কোন পরিবর্তন আসবে না।
তবে রিচার্ডসনের এমন বক্তব্যে অনেকেই সমালোচনা করেন। সেটা সহযোগী দেশগুলো নিয়ে। তবে আইসিসির প্রধান নির্বাহীর যুক্তি, আমরা সহযোগী দেশগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছি না, এমনটি মোটেই নয়। এ কারণেই বিশ্বকাপে কখনো আট, ১০, ১২, ১৪, ১৬ দলও হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং বলব, আমরা সামনের দিকেই এগুচ্ছি। আমরা বিশ্বকাপকে প্রতিদ্বন্দ্বীময় দেখতে চাই। ছোট পরিসরে না থেকে বৃহৎ পরিসরে আগানোই আমাদের মুল লক্ষ্য’।
রিচার্ডসনের লক্ষ্য, নতুন নতুন দেশে ক্রিকেটকে বিস্তৃত করা। যেমন যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ ক্রিকেট ইভেন্টে ভালো করার ক্ষমতা আছে যুক্তরাষ্ট্রের। জিম্বাবুয়ের চেয়েও বেশী ক্রিকেটার আছে তাদের। সংখ্যার দিক থেকে তা কাছাকাছি নিউজিল্যান্ডের। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দল যদি বাছাই পর্ব খেলে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কেন নয়। আগামী কয়েক বছরে এমন লক্ষ্যই রয়েছে আমাদের’।


