মাগুরানিউজ.কমঃ
বাংলাদেশে সফরে এসে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের যে করুণ দশা, তাতে নিজেদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বলে পরিচয় দিতে লজ্জাই পেতে পারে! প্রোটিয়া যুবাদের এখন ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা! জয় কাকে বলে, সেটাই যেন ভুলে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আজও চট্টগ্রামে প্রোটিয়াদের হারাল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ৪৫ রানে হারিয়ে সিরিজ ৫-১ করে ফেলল বাংলাদেশের যুবারা।
বাংলাদেশের দেওয়া ২২০ রানের লক্ষ্য খেলতে নেমে রিভালদো মুনস্যামি বাদে আর কোনো প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে পারেননি। দলের বাজে সময়ে এই মুনস্যামি বেশ ধারাবাহিক। নিহাদুজ্জামানের বলে ফেরার আগে করেছেন ৬১ রান। পাঁচ ম্যাচে দুই ফিফটি করলেন এ ডানহাতি ওপেনার। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ডিন ফক্সক্রফটের সঙ্গে ৭৩ রান তুলে দলে কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন মুনস্যামি। কিন্তু বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার সালেহ আহমেদের ঘূর্ণিতে সব শেষ দক্ষিণ আফ্রিকার! ১ উইকেটে ৮১ রান থেকে ৬ উইকেটে ১২৬, ৪৫ রানেই পড়েছে ৫ উইকেট। এর তিনটিই সালেহর দখলে। বিপর্যয় সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল কাইল-গালিয়েমের সপ্তম উইকেট জুটি। এ জুটিতে আসে ২৯ রান। এরপর চূড়ান্ত বিপর্যয়। ১৯ রানের ব্যবধানে পড়ল ৪ উইকেট। ৪৫.১ ওভারে অলআউট ১৭৪ রানে। সালেহ একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি। পার্শ্বনায়ক নিহাদুজ্জামনের দখলে ৩ উইকেট।
প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশের ব্যাটিংটা খুব একটা ভালো হয়নি। শফিউল হায়াত-মেহেদি হাসানের চতুর্থ উইকেটে ১৩৮ রান ওঠার পর বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। লেসেগোর বলে শফিউল ৮৩ ও মেহেদি ৫৭ রানে ফেরার পরই বাংলাদেশের ইনিংস বেশি দূর এগোল না। ৩৭ রানেই পড়েছে শেষ ৭ উইকেট।
ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা একদমই বুঝতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা, বিশেষ করে সালেহ-নিহাদুজ্জামান। দুজনের দাপটে বাংলাদেশের যুবারা বোঝাল, তারা অপ্রতিরোধ্য! সিরিজের শেষ ম্যাচটি পরশু, চট্টগ্রামেই।


