আজ মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
- শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে বিনামূল্যে পাট বীজ বিতরণ
- মাগুরা নিউজের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক অ্যাডভোকেট রাজীব কুমার মিত্র জয়ের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- শ্রীপুরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার আয়োজন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
- শ্রীপুরে বজ্রপাতে দিনমজুরের মৃত্যু, আহত ১ নারী
মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন (২৪) হত্যার ২৪ ঘন্টায় হত্যার মূল আসামী ঘাতক স্বামী সুজন শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের পর স্বামী সুজন শেখ হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, বুধবার সকাল ১১ টার ২০ মিনিটের দিকে বড়উদাস মাঠের মধ্যে ওই গ্রামের জামাল শেখ শেখ এক মহিলার বিবস্ত্র ও গলায় রশি পেঁচানো মৃতদেহ দেখতে পান। পরে আশেপাশের লোকজনদের খবর দিলে ভিকটিমের বাবা হাই জোয়ার্দার মৃতদেহটি সনাক্ত করেন। পরে মৃতদেহটি প্রাথমিক সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ওই গৃহবধূ গত ৩০ মার্চ শ্বশুরবাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রাম থেকে শ্বাশুড়ি জাহেরা বেগমকে নিয়ে বড়উদাস বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ৩১ মার্চ সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মোবাইলে ফোন আসলে ছোট মেয়ে মরিয়মকে কোলে নিয়ে পাশের বাড়ি ফুফু সালমা খাতুনের বাড়িতে যায়৷ পরবর্তীতে সে শিশুটিকে ফুফুর কাছে রেখে মোবাইলে কথা বলতে বলতে বাইরে চলে যায়। রাত ৯ টার দিকে ফিরে না আসলে ফুফু বিষয়টি তার বাবাকে জানান। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। পরে বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর মৃতদেহ বড়উদাস মাঠে পাওয়া যায়।
স্বামী সুজন শেখের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বিগত ৭ বছর পূর্বে ভালবাসা করে বিয়ে করে। তাদের সংসারে ২ টি সন্তান রয়েছে। তাদের নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় বিভিন্ন সময় পারিবারিক অশান্তি লেগে থাকতো। পারিবারিক অশান্তি চরমে উঠলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে ফোন করে ডেকে নিয়ে কথা বার্তা বলার এক পর্যায়ে পেছন থেকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে মৃতদেহটি ফেলে রেখে যায়।

