আজ শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
- শ্রীপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে ১ জনের মৃত্যু! আহত-৬
- শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও'র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
- শ্রীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- নদীর বুকেই কেটেছে জীবনের ছয়টি দশক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও থামেনি রনজিতের বৈঠা
- শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা ক্যান্সার আক্রান্ত সাহিদা বেগমের ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিন পার
- শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তাদের আকষ্মিক পরিদর্শন
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু
- শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন: পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য
মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন (২৪) হত্যার ২৪ ঘন্টায় হত্যার মূল আসামী ঘাতক স্বামী সুজন শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের পর স্বামী সুজন শেখ হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, বুধবার সকাল ১১ টার ২০ মিনিটের দিকে বড়উদাস মাঠের মধ্যে ওই গ্রামের জামাল শেখ শেখ এক মহিলার বিবস্ত্র ও গলায় রশি পেঁচানো মৃতদেহ দেখতে পান। পরে আশেপাশের লোকজনদের খবর দিলে ভিকটিমের বাবা হাই জোয়ার্দার মৃতদেহটি সনাক্ত করেন। পরে মৃতদেহটি প্রাথমিক সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ওই গৃহবধূ গত ৩০ মার্চ শ্বশুরবাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রাম থেকে শ্বাশুড়ি জাহেরা বেগমকে নিয়ে বড়উদাস বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ৩১ মার্চ সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মোবাইলে ফোন আসলে ছোট মেয়ে মরিয়মকে কোলে নিয়ে পাশের বাড়ি ফুফু সালমা খাতুনের বাড়িতে যায়৷ পরবর্তীতে সে শিশুটিকে ফুফুর কাছে রেখে মোবাইলে কথা বলতে বলতে বাইরে চলে যায়। রাত ৯ টার দিকে ফিরে না আসলে ফুফু বিষয়টি তার বাবাকে জানান। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। পরে বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর মৃতদেহ বড়উদাস মাঠে পাওয়া যায়।
স্বামী সুজন শেখের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বিগত ৭ বছর পূর্বে ভালবাসা করে বিয়ে করে। তাদের সংসারে ২ টি সন্তান রয়েছে। তাদের নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় বিভিন্ন সময় পারিবারিক অশান্তি লেগে থাকতো। পারিবারিক অশান্তি চরমে উঠলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে ফোন করে ডেকে নিয়ে কথা বার্তা বলার এক পর্যায়ে পেছন থেকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে মৃতদেহটি ফেলে রেখে যায়।

