আজ রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হত্যাকাণ্ডে জড়িত না এমন ব্যক্তিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- শ্রীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ
- শ্রীপুরে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম, দোকানঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট
- টিসিবিতে নিম্মমানের পণ্য, প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় ক্রেতাদের অসন্তোষ
- শ্রীপুরে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২০ টি বাড়িঘর ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাট
- শ্রীপুরে প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থা উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত
- শ্রীপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুর ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন (২৪) হত্যার ২৪ ঘন্টায় হত্যার মূল আসামী ঘাতক স্বামী সুজন শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের পর স্বামী সুজন শেখ হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, বুধবার সকাল ১১ টার ২০ মিনিটের দিকে বড়উদাস মাঠের মধ্যে ওই গ্রামের জামাল শেখ শেখ এক মহিলার বিবস্ত্র ও গলায় রশি পেঁচানো মৃতদেহ দেখতে পান। পরে আশেপাশের লোকজনদের খবর দিলে ভিকটিমের বাবা হাই জোয়ার্দার মৃতদেহটি সনাক্ত করেন। পরে মৃতদেহটি প্রাথমিক সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ওই গৃহবধূ গত ৩০ মার্চ শ্বশুরবাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রাম থেকে শ্বাশুড়ি জাহেরা বেগমকে নিয়ে বড়উদাস বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ৩১ মার্চ সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মোবাইলে ফোন আসলে ছোট মেয়ে মরিয়মকে কোলে নিয়ে পাশের বাড়ি ফুফু সালমা খাতুনের বাড়িতে যায়৷ পরবর্তীতে সে শিশুটিকে ফুফুর কাছে রেখে মোবাইলে কথা বলতে বলতে বাইরে চলে যায়। রাত ৯ টার দিকে ফিরে না আসলে ফুফু বিষয়টি তার বাবাকে জানান। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। পরে বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর মৃতদেহ বড়উদাস মাঠে পাওয়া যায়।
স্বামী সুজন শেখের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বিগত ৭ বছর পূর্বে ভালবাসা করে বিয়ে করে। তাদের সংসারে ২ টি সন্তান রয়েছে। তাদের নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় বিভিন্ন সময় পারিবারিক অশান্তি লেগে থাকতো। পারিবারিক অশান্তি চরমে উঠলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে ফোন করে ডেকে নিয়ে কথা বার্তা বলার এক পর্যায়ে পেছন থেকে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করে মৃতদেহটি ফেলে রেখে যায়।

