মাগুরানিউজ.কমঃ
রাজীব মিত্র জয়—–
বাংলাই আমার জয়ের চেতনা, একুশে আমি অকুতোভয়, এসো একুশে করি বিশ্ব জয়! এসো একুশে প্রভাত ফেরী!
ভাষাই সবচেয়ে শক্তিশালী উপাদান যা সভ্যতার সব ধরণের বস্তুগত ও অবস্তুগত ঐতিহ্য সংরক্ষন করতে পারে। মাতৃভাষার সার্বজনীন ব্যবহার শুধুমাত্র ভাষাগত অনন্য বৈচিত্র ধারন এবং বহুভাষিক শিক্ষাই দান করে না বরং বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ভাষার ও সংস্কৃতির বোধ জাগরণ করে এবং এর মাধ্যমে একতা, ভাতৃত্ববোধ, বোঝাপাড়ার মনোভাব সৃষ্টি করে।
ভাষার জন্য আন্দোলন এবং ভাষার জন্য জীবন বিলিয়ে দেয়ার অনন্য ইতিহাস ধারণ করছে বাংলাদেশ। এটিই প্রথম কোন আন্দোলন যা এতদঞ্চলের তরুণদের সবধরণের শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে উদ্ধুদ্ধ করেছিল।
একুশের ত্যাগ আমদের শিক্ষা দেয় দেশ ও জ়াতির কল্যাণে সামান্যতম ত্যাগ স্বীকার করে মাতৃভাষা ও মাতৃভুমির সন্মানজনক স্থান প্রতিষ্ঠা করতে।চলুন, এবারের আন্তঃর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটি পালন করি আমাদের মাতৃভাষার মান রক্ষা করার প্রত্যয়ে, আমদের সবধরণের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার নিশীথ ঘুচে যাওয়ার অংগীকারে।

চলুন, একুশের চেতনাকে ধারন করে সবাই সম্মিলিত ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ বিনির্মান করি।
“সম্মিলনের প্রচেষ্টা-ই হোক আমাদের শুরু, সম্মিলিত হওয়াটা হোক উত্তরণের পথ, আর সম্মিলিত হয়ে এগিয়ে যাওয়াটাই হবে আমাদের সফলতা”।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভোরের আলোয় দীপ্ত অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন মাগুরার সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে আসা ছোট ছোট সোনামনিদের ভীড়ে শহীদ মিনার চত্বর হয়ে উঠে মুখরিত।
মাগুরার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মুহ. মাহবুবর রহমান ও পুলিশ সুপার জিহাদুল সাহেবের আন্তরিক অংশগ্রহন প্রভাত ফেরিকে করেছিল প্রানবন্ত।
সকালে শহরের সকল সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামজিক সংগঠনগুলো নিজ নিজ ব্যানারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন শহীদ মিনারে।
পৌরসভার উদ্যোগে শহর সজ্জিতকরণ করা হয়। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহায়তায় দিনব্যাপী চলছে নানা আয়োজন। এর আগে রাত ১২ টা ১মিনিটে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়।





